Tuesday , 15 December 2020
[cvct-advance id=20554]

হৃদয়বিদারক একটি অ’সাধারণ ভালো’বাসার গল্প,কেউ মিস করবেন না

হৃদয়বিদারক একটি অসাধারণ ভালোবাসার গল্প,কেউ মিস করবেন না!একটা ছে’লে একটা মেয়েকে খুব ভালোবাসতো! একদিন মেয়েটা ছে’লেটাকে ছেড়ে চলে যায়, কিছুদিন পর সেই মেয়েটিকে দেখা যায় অন্য একটি ছে’লের সাথে রিকশা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে !

অ’তঃপর পূর্বের ছে’লেটি ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটার বাসায় যায়, গিয়ে মেয়েটার গালে সজো’রে থাপ্পড় মা’রে ! আর বলে, –তুই এতো খা’রাপ এটা আগে জানতাম না।জানলে তোর মত নর্তকী’র সাথে প্রে’ম করতাম না। তুই আসলেই একটা নষ্টা মেয়ে!!!ইত্যাদি বলে মেয়েটাকে গালিগালাজ করে! কিন্তু মেয়েটা কোনো রেসপন্স দেয় না,

অ’প’রাধীর মত সব সহ্য করে। যখন ছে’লেটা বাসা থেকে বের হয়ে যাবে, তখন মেয়েটা বলে উঠলো, “আবির একটা কথা ছিলো!” –তুই আর কি বলবি হ্যা? তোর আর কি বলার আছে? – কিছুনা, তবে একটা অনুরোধ। –কি?

তাড়াতাড়ি বল….তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখী হও। আর পারলে আমাকে ভুলে যেও! –আরে তোর মত বাজারের মেয়েকে’তো আমি তখনই ভুলে গেছি! যখন দেখেছি রিকশা করে অন্য একটি ছে’লের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিস।.4 কথাগুলো বলে ছে’লেটা চলে গেল! আর আরহী বিছানায় শুয়ে চি’ৎকার করে কাঁদছে, আর বলছে,

–হে আল্লাহ্ তুমি কেন আমাকে এত ক’ষ্ট দিচ্ছো?!!! আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে যাও। কিন্তু কিছুক্ষণ পর মেয়েটা ভাবছে, “নাহ্ সব ঠিক আছে! আমি নাহয় একটু ক’ষ্ট ই পেলাম! কিন্তু আমা’র আবিরতো এখন সুখী হবে। এটাই আমা’র কাছে বড় পাওয়া……”তার ১সপ্তাহ্ পর,

মেয়েটার সামনে বিয়ের কার্ড হাতে ছে’লেটা উপস্থিত!!! –আরহী আমি আগামী শুক্রবার বিয়ে করতে যাচ্ছি, প্রথম দাওয়াতটা তোমাকেই দিলাম! আসবেতো? এসো….. বলে ছে’লেটা চলে গেল! তৎক্ষণাৎ আরহীর চোখ থেকে দুফোটা জল গড়িয়ে পড়লো কার্ডের উপর। মেয়েটা উপরের দিকে তাকিয়ে বলছে, –হে আল্লাহ্ আমি আর পারছি না। আমি নিজের চোখে আবিরের বিয়ে দেখতে পারবো না। তুমি একটু সহায় হও…… .আজ

শুক্রবার! জুম্মা’র নামাজের পর আবিরের বিয়ের কার্য সম্পূর্ণ হয়!কিন্তু আবির বারবার তাকিয়ে দেখছে, আরহী আসে কিনা! আসলে আজকেও একটু অ’পমান করে মনের জ্বালটা মেটানো যাবে। কিন্তু নাহ্, আরহী আসেনি।

একটা দুঃসংবাদ এসেছে!!! আরহী এই দুনিয়াতে নেই! একটু আগে সে মা’রা গেছে! কথাটা শুনার সাথে-সাথে আবির দৌড়ে চলে গেল আরহীর বাসায়! গিয়ে দেখে, তার আরহী ঘুমিয়ে আছে! চিরজীবনের মত ঘুমিয়ে আছে!!! .আবির কাঁদতে পারছে না, শুধু অ’বাক হয়ে আরহীর মুখের

দিকে তাকিয়ে আছে! আর স্মৃ’তিপটে ভেসে আসছে পূর্বের খু’নসুটিগুলো। এমন সময় আবিরের ঘোর ভেঙ্গে দিয়ে একটি ছে’লে বলে উঠলো, –ভাইয়া!!! ছে’লেটাকে চিনতে একটুও ভুল হলো না আবিরের এটাই সেই ছে’লে যাকে আরহীর সাথে রিকশায় দেখেছিলো!!!

ছে’লেটা আবিরের কাঁধে হাত রেখে বলছে,“ভাইয়া আপনাকে এই চিঠিটা দিতে বলেছিলো আরহী আপু!” পারলে একটু পড়ে নিয়েন…… তৎক্ষণাৎ চিঠিটা উল্টিয়ে পড়তে লাগলো আবির, . “জানি তুমি অ’বাক হবে, কারন যে ছে’লেটা

তোমাকে চিঠিটা দিলো সে আমা’র ছোটভাই রাফি ।ও আমা’র মামাতো ভাই। কি করবো বলো? আমিতো জানতামনা যে আমা’র শরীরে ম’রনব্যাধি ক্যান্সার আছে! জানলে কখনো তোমা’র সাথে প্রে’ম করতাম না। যখন জানলাম আমি ক্যান্সারের রোগী, তখন আমা’র পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়েছিল।সিদ্ধান্ত নিলাম তোমা’র থেকে দূরে সরে যাব। নাহলেতো তুমি সুখী হতে পারবে না। এখন তুমি আমাকে ঘৃ’ণা করো, আমা’র খুব ভালো লাগে। কিন্তু একটা ক’ষ্ট কি জানো?যখন তুমি আমাকে ন’ষ্টা, ন’র্তকী’,

বাজারের মেয়ে বলছিলে তখন সত্যিই খুব খা’রাপ লাগছিলো আমা’র! আমি কি আসলেই এমন?যাইহোক আজকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাই না তোমাকে! শুধু একটা অনুরোধ,আমাকে যদি একটুও ভালোবেসে থাকো, তবে সেই ভালবাসার কসম! তুমি বিয়ে করে সুখে সংসার করো। আমি সবসময় তোমাকে সুখী দেখতে চাই, আর এটাই তোমা’র কাছে আমা’র শেষ চাওয়া।”চিঠিটা শেষ হওয়ার সাথে সাথে চোখের জলে পুরোটা পৃষ্ঠা ভিজে গেল।দেশ – বিদেশের অজানা সব খবর জানতে লাইক দিন আমাদের পেইজে।

আপনার কাছে পোষ্ট টি কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন ৷ T=(Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আরো ভালো ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

স্বামী ক’রোনায় মা’রা যাওয়ার আগে স্ত্রীকে শেষ চিঠিতে লিখে গেলেন এই কথা,স্ত্রী চিঠি খুলে চ’মকে গেলেন

ক’রোনাভাইরাস সারা বিশ্ব জুড়ে মৃ’ত্যুর কারণ হয়ে উঠেছে। শত শত জীবন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ক’রোনায় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page