হিজরাদের কখনোই এই তিনটি জিনিস দেবেন না.! দিলে আপনার সর্বনাশ হবে!

হিজড়া কারা এবং কেন? ব্যস্ত শহরের মোড়ে ওদের প্রায়ই দেখা যায়, রঙিন মুখে সাবলীল ভাষায় আবদার করে ওরা। “ট্যাকা দে…, অ্যাই দিবি না?“- রাস্তাঘাটে চলাচল করতে গিয়ে এ ধরনের কথা মাঝেমাঝেই আমাদের কানে আসে বা এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হই আমরা। রক্ত-মাংসের তৈরি হলেও তাদের পরিচয় কিছুটা আলাদা। কেউ তাদের বলে ‘হিজড়া’, কেউ বলে ‘তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ’, কেউ বা বলে ‘নপুংশক’।

ওদের নানারকম নাম, হিজড়া, তৃতীয় লিঙ্গ, নপুংসক ইত্যাদি আরও কতকিছু। কিন্তু ওরা কিন্তু জন্মের থেকেই এমন থাকে না। ওরা জন্মের পর যখন আস্তে আস্তে বড় হতে শুরু করে তখনই এই লক্ষণ গুলি ফুটে ওঠে।

হিজড়ারা সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানবগোষ্ঠী। শারীরিক গঠনগত কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে সমাজ তাদের অস্পৃশ্য বলে মনে করে। তাদের জন্য সামান্য সামাজিক সুযোগ সুবিধা গুলো পর্যন্ত দেওয়া হয়না। আর ঠিক এই কারণেই সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যেটা হিজড়া দের কাছে আয়ের উৎস।

কিন্তু জানেন কি শাস্ত্র মতে বলে এমন কিছু আছে যে গুলো হিজড়া দের দিতে নেই। শাস্ত্রে বলা হয় যে হিজড়া দের এই জিনিস গুলো দিলে পরিবারের অকল্যাণ হয়। আজ আমদা এই প্রতিবেদনে সেগুলোই জানবো, যে হিজড়া দের কি দিতে নেই।

হিজড়ারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ গান করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। কারণ তারা নিজেদের মঙ্গলময় মনে করে। যেহেতু তারা সমাজের অবহেলিত তাই তাদেরকে সকলেই নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু আপনি জানেন কি এমন কিছু জিনিস আছে যে গুলো হিজড়াদের দান করা উচিত নয়, যেগুলো দান করতে গৃহস্থের অকল্যাণ হয়।

১। স্টিলের বাসনপত্রঃ শাস্ত্রে বলা হয় যে, হিজড়া দের স্টিলের বাসনপত্র দান করতে নেই। হিজড়া দের স্টিলের বাসন পত্র দিলে নাকি সংসার থেকে সুখ শান্তি দূর হবে দবিং অশান্তি বৃদ্ধি পাবে।

২। রুপোঃ শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে হিজড়া দের কখনোই রুপো দিতে নেই। এটা নাকি পরিবারের জন্য খারাপ। হিজড়া দের রুপো বা রুপোর তৈরি কোন জিনিস দিলে আপনার পরিবারে আর্থিক মন্দা দেখা দিতে পারে।

৩। তেলঃ শাস্ত্র মতে তৃতীয় যে জিনিস টা হিজড়া দের দিতে নেই সেটা হল তেল। সেটা যে কোন ধরণের তেলই হতে পারে। সরিষার তেল, সোয়াবিন তেল বা অন্য যে কোন তেল। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে হিজড়াদের তেল দিলে আপনার অর্থ ও সম্মান দুইই হানি হতে পারে।

তাই হিজড়া দের সবকিছুই দিন, চাল, ডাল, টাকা, সবজি। কিন্তু এই তিনটি জিনিস ভুলেও দেবেন না। এতে করে আপনার ও আপনার পরিবারের ক্ষতিসাধন হতে পারে।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

বয়স ৯৬, এই বয়সে পরীক্ষা দিয়ে পেলেন ১০০ তে ৯৮!

কথায় আছে, শেখার বয়স নেই। উপযুক্ত প্রমাণ কাত্যায়নী আম্মা। কিন্তু কেন? মাত্র ৯৬ বছর বয়স। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *