Saturday , 19 September 2020
[cvct-advance id=20554]

সিভিক ভলেন্টিয়ার থেকে রাতারাতি হয়ে উঠলেন কোটিপতি, মাত্র 6 টাকার টিকিট পাল্টে দিলো তার জীবন..

কখনো কী শুনেছেন সিভিক ভলেন্টিয়ারের নিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনী,কথাটি শুনতে অবাক লাগলেও রকম একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যেখানে জানা যাচ্ছে এই ভাইরাল হওয়া ছবিটি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের।গত রবিবার দিন দুপুরে 6 টাকার লটারি কেটেই পাল্টে গেল তার জীবন রাতারাতি কোটিপতি হয়ে উঠলেন এই হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার। জানা যাচ্ছে ঐ ব্যক্তির নাম ফিরোজ আলম। আর এক লটারি যেন বদলে দিল ফিরোজের জীবন।

হরিশ্চন্দ্রপুর থানার এই সিভিক ভলেন্টিয়ার আলিপুর গ্রামের টালি ছাউনি দেওয়া ঘরে বসবাস করেন , গত আট বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিলেন ফিরোজের বাবা, এমনকি বাবার মৃত্যুর তিন বছরের মধ্যে মারা যায় তার দাদাও। তারপর থেকে কোনরকমে সিভিক ভলেন্টিয়ার এর কাজ করে সংসারের হাল ধরেন তিনি। আর এই সেই ব্যক্তি যিনি হরিশ্চন্দ্রপুরে তুলসি হাটা মোড়ে টাফিক সামাল দেন।

তবে গত রবিবার দিন ডিউটি তে যোগ দেওয়ার আগে হরিশ্চন্দ্রপুর সেই মোড় থেকে একটি 6 টাকা দামের লটারি কাটেন তিনি। তারপর লেগে পড়েন তিনি নিত্যদিনের কাজ অর্থাৎ সেই মোড়ের ট্রাফিক সামাল দেওয়ার কাজে। হঠাৎ আচমকায় দুপুরে কোন এক ব্যক্তির কাছ থেকে ভিন্ন রাজ্য লটারির প্রথম পুরস্কারের টিকিট তার পকেটের মধ্যেই রয়েছে তা জানতে পারেন তিনি। এমনকি সেই ব্যক্তির কথাতে প্রথমে বিশ্বাস না করতে পেরে নিজেই একবার টিকিট মিলিয়ে দেখে নিতে চান তিনি, আর তখনই বুঝতে পারেন সত্যিই তিনি এক কোটি টাকার লটারি জিততে পেরেছেন।

টিকিটের মারফত এক কোটি টাকা পাওয়ার বিষয়টি গোটায় জানাজানি হতেই থানা থেকে ফোন আসে ফিরোজের কাছে। তারপর টিকিট হাতে সোজা ছুটে যান থানায় তিনি।তারপর থেকে কোটিপতি এই ব্যক্তির নিরাপত্তা দিতে উঠেপড়ে লাগে সেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পুলিশ কর্তারা। সেখানকার পুলিশকর্মীরা চোখের আড়াল হতে দিচ্ছেন না ফিরোজকে, এমনকি অনেকেই আবার এই কোটিপতির সাথে সেলফিতে মেতেছেন। আর সেখানে থাকা এক পুলিশ কর্তা তো এমনটা রসিকতা করে বলেন, এখন তো ফিরোজকে পাহারা দিতে হবে কারণ কোটিপতি ব্যক্তি বলে কথা।

তবে এক্ষেত্রে একটি টিকিট যে তার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে তা আশঙ্কা করেনি ফিরোজ। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এই বিষয়ে তিনি জানান বাড়িতে বিধবা মা রয়েছে বৌদি এবং ভাইজি রয়েছে পরিবারের আমি একমাত্র রোজগার করি আর এই পাওয়া টাকা দিয়ে ভাইজির ভালোমতো করে পড়াশুনা করাবো এবং স্বপ্নের এক বাড়ি বানাবো।

Check Also

আকাশে উড়তে উড়তে হঠাৎ করেই মাটিতে নেমে আসে এই বিষাক্ত ‘উড়ন্ত’ সাপ

উড়ন্ত সাপ খুব কম দেখা যায় ৷ এই ধরণের সাপ দারুণ বিষাক্ত হয় আর তার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!