Friday , 6 December 2019

শ্মশানে সটান উঠে বসলো মড়া ! তারপর যা হল তা জালনে চমকে উঠবেন…

জীব হল পার্থিব শরীর আর অপার্থিব আত্মার মিলিত এক প্রতিফলন। যার জন্ম আছে তার মৃত্যুও আছে। পৃথিবীতে কেউ অমর নয়। মানুষের জীবন হল অনিত্য। কারন তার যেমন সৃষ্টি আছে তেমন তার ধ্বংসও আছে। কিন্তু ধ্বংস শুধু মানব শরীরের হয়, আত্মার হয়না। আত্মার সৃষ্টি করেন পরমাত্মা। আত্মা অবিনশ্বর, দেহ থেকে দেহান্তরে তার গতি।

একটি শরীর বিনষ্ট হলে সে আশ্রয় নেয় অন্য শরীরে। এভাবেই চলে আসছে মানব জীবন। মৃত্যু হল এক কঠিন সত্য। কারোর মৃত্যু হলে তা আমাদের মেনে নিতে হয়। কষ্ট হলেও সত্যিটা আমাদের মেনে নিতেই হবে। আর তা মেনে নেয় সকলেই।

কিন্তু কিছু আপন জন চলে গেলে কষ্ট হয় আর তারপর যদি সে হঠাত বেঁচে ওঠে তাহলে তার আপন জনেদের আনন্দের শেষ থাকেনা। ঠিক এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে ত্রিবেণীর বৈকুন্ঠপুরে। সেখানকার এক বাসিন্দা রেনুকা পাল বেশ কিছুদিন অসুস্থ ছিলেন।

তার পরিবারের লোক তাকে ভর্তি করে কোলকাতার হাসপাতালে। ভর্তি করার কিছু দিন পর তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষনা করে মৃত্যুপত্র দেয়। তারপর রেনুকা পালের দেহ নিয়ে তার আত্মীয়রা যায় শ্মশানে, তাকে দাহ করতে।

কিন্তু আজকাল সব জায়গাতেই লাইন দেওয়া ছাড়া কোন কাজ নেই। সেইরকম লাইন ছিল শ্মশানেও। লাইন থাকার কারনে দাহ কার্য শুরু করতে সময় লাগে। সেখানে শ্মশানযাত্রীদের ভির ছিল। ঠিক সেই সময় ঘটে এক অলৌকিক ঘটনা।

তারা সকলেই হঠাত লক্ষ করে মৃতদেহটি নড়ে উঠলো। তখন সবাই ভেবেছিল রেনুকা পাল আবার বেঁচে উঠেছে। সেই দৃশ্য দেখে সবাই অবাক হয়। আবার কেউ ভুত ভেবে ভয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে রেনুকা পালের পরিজনরা খুব খুশি হয়। তারা ভাবে রেনুকা পাল আবার বেঁচে উঠেছে।

তারা সঙ্গে সঙ্গে হাত পা ঘষতে শুরু করে। তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যামবুলেন্সও ডাকা হয়। কিন্তু কিছুক্ষন পড়ে আবার দেহটি নেতিয়ে পরে। আর হাসপাতালে নিয়ে গেলে বলা হয় অনেক্ষুন আগেই রেনুকা দেবীর মৃত্যু হয়েছে। তারপর আবার সেই দেহ ফিরিয়ে নিয়ে এসে চুল্লিতে ঢোকানো হয়।

Check Also

রেস্তোরাঁর তরুণীকে টিপস হিসেবে গাড়ি দিলেন দম্পতি!

এক তরুণী রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। প্রতিদিন প্রায় ২২ কিলোমিটার হেঁটে তিনি ওই রেস্তোরাঁয় যান। তার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *