Sunday , 16 June 2019

শশুড়, শাশুড়ি থেকে আলাদা হতে চাইলে স্ত্রীকে তালাক দিতে পারবে স্বামী। সুপ্রিম কোর্টের…

বাবা-মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে চাইলে স্ত্রী’কে ডিভোর্স দিতে পারবেন হাজব্যান্ড। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের হিন্দু বিবাহ আইনে এই বিধান জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জাস্টিস অনিল দাভে এবং জাস্টিস এল নাগেশ্বর বলেন,

বৃদ্ধ এবং ছেলের ওপর নির্ভরশীল বাবা-মায়ের থেকে স্বামীকে নিয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতে জোর করলে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী। ১৪ পাতার রায়ে বিচারপতিদ্বয় বলেন, ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রাজনীতির বিস্তর ফারাক রয়েছে।

সেখানকার নিয়ম এখানে চলতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখা ছেলের কর্তব্য বলেই ধরা হয়। বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন স্ত্রী। যদি বিশেষ ক্ষেত্র না হয় তবে স্বামীকে অভিভাবকদের থেকে পৃথক করার জন্য মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করলে বিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী।’

বায়ে আরো বলা হয়, ‘অতীতে দেখা গিয়েছে স্বামীকে চাপ দিতে স্ত্রী আত্মহত্যার হুমকি বা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। যদি কোনো ক্ষেত্রে তিনি মারা যান তবে আইনি সমস্যায় জর্জরিত হতে হয় সেই ব্যক্তিকে। তার ক্যারিয়ার, পরিবার, সামাজিক সম্মান সব কিছু ছারখার হয়ে যায়। এ সব কিছুর কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত চাপের কাছে নতি করে নেন অনেকে। আর যাতে এই রকম ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই রায়ের বিধান করা হয়েছে।’

ভিক্টোরিয়াতে আর প্রেম নয়.! এবার থেকে ভিক্টোরিয়াতে প্রেম করলে পুলিশ ধড়বে!

পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। যেখানে বিভিন্ন রাজ্যের এমন কি বিভিন্ন দেশের মানুষ আসে আনন্দের হাটে অংশগ্রহন করতে।

কলকাতাকে city of joy বলা হয় যার পেছনে অনেকটাই credit এই ভিক্টোরিয়া ! ২০০০ সালের পর থেকে থেকে বিক্টোরয়া কলকাতার একটি অন্যতম ড্রেটিং পয়েন্ট হয়ে গেছে।

তবে ২০০০ সালের প্রথম দিকে তেমন কোনো অসুবিধা হতোনা এই বিক্টোরিয়াতে প্রেম করলে কেননা তখন প্রেমিক-প্রেমিকাদের সংখ্যা ছিলো অনেক কম।

তবে যত বছর গড়াতে ততোই প্রেমিক প্রেমিকার সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং এই বিক্টোরিয়াতে couple দের ভিড় জমতে থাকে। আর বর্তমান সালে মানে ২০১৮ সালে প্রায় বেশিরভাগ মানুষই প্রেম করে!

তাই বর্তমানে এটি একটি মস্ত বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রসাশনের কাছে কেনোনা এখানে অনেক বয়স্ক মানুষ ও বেড়াতে যায়।

তারা ড্রেটিং পয়েন্ট হিসাবর ভিক্টোরিয়া এটা ঠিক মেনে নিতে পারেনা। তারা অভিযোগ তুলে এটি যেহুতু একটি বহু প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান তাই এখানে কি এসব করা উচিত?

শোনা যাচ্ছে কাতের কথাকে গুরুত্ব দিয়ে ভিক্টোরিয়া জানাই যে এখানে দুজন ছেলে-মেয়ে বন্ধু আসতেই পারে তবে তাদের আচরন যেনো বন্ধুর মতো থাকে।

ছাতার নিচে কিস বা গাছের পেছনে হাগ এসব কিছুই করা যাবেনা। এবার থেকে এসব করলে পুলিশে গেপ্তার করবে!!

Check Also

লাল জলের নদী আর সাতশো পাহাড়ে ঘেরা সারান্ডার জঙ্গলে সপ্তাহান্তের কাহিনি

সাতশোটা পাহাড়! সত্যিই কি এতগুলো পাহাড় রয়েছে ওখানে? যখন থেকে সারান্ডায় যাওয়ার আলোচনা শুরু হয়, ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *