রাতে ফোন ব্যাবহার ? তেজস্ক্রিয় রশ্মির কারনে ক্যান্সার! এর থেকে বাঁচুন ফোনের সামান্য পরিবর্তনে

মহীনের ঘোড়াগুলির “পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে গানটি” আজকের দিনে দাঁড়িয়ে রচনা করা হলে সেখানে শুধুমাত্র স্যাটেলাইট আর কেবিল ছাড়াও যে মোবাইলের কথাও উল্লেখ থাকতো সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। পৃথিবীটা এখন ড্রয়িং রুমই নয় তার থেকেও ছোটো হয়ে যা হাতের মুঠোয় বন্দি হয়ে এসেছে তার নেপথ্যে এই মোবাইল ফোনই।

অবসর বিনোদন থেকো শুরু করে যোগাযোগ মাধ্যম অথবা দরকারি কাজকর্ম সবই হচ্ছে আজকাল এই মুঠোফোনের মাধ্যমেই। ইমেল থেকে ই-বিল সবই হয় এক ক্লিকে। এই আধুনিকতার হাওয়ায় আমি আপনি সকলেই গা ভাসিয়ে দিলেও ভুলে গেলে চলবে না এই মোবাইল বা স্মার্টফোনের কিন্তু বহু ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে। এমনকি ক্যানসার নামক মরণব্যাধিরও বার্তাবরণ নিয়ে আসে এই গ্যাজেট।

মোবাইল থেকে বেরোনো বিকিরণ আমাদের সকলেরই শরীরে নানারকম ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোবাইল থেকে বেরনো রেডিওফ্রিকোয়েন্সির ফলে ব্রেন টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যায়। এর থেকে ক্যানসারও হতে পারে। সম্ভাবনা থাকে হার্টের সমস্যারও। মোবাইল থেকে বেরনো ক্ষতিকর রশ্মি পাকাপাকিভাবে হার্টের সমস্যা তৈরি করে। ফলে বুক পকেটে কখনও মোবাইল রাখবেন না। এবং হার্টের সমস্যা হচ্ছে বুঝলে অবহেলা করবেন না।

এছাড়াও মোবাইল ব্যবাহারের ফলে পথদূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এখনও পর্যন্ত অসংখ্য মানুষ। তরুণ প্রজন্মের কাছে এখন এটি একটি বারতি অভিযোগের প্রশ্ন যে কানে হেডফোন লাগিয়ে মোবাইল হাতে রাস্তায় চলাফেরা করা কেন!

কিন্তু মূল সমস্যা হলো রাত্রিবেলা মোবাইল ঘাঁটাকে নিয়ে। মানুষের সবচেয়ে অবসরের সময়টা রাত্রিই, তাই অফিস কলেজ করে নিউডফিড স্ক্রলিং এ ডুবে থাকেন মাঝরাত্রি পর্যন্তও বহুজন। কিন্তু রাত্রিবেলা মোবাইল ঘাঁটাকে কেন্দ্র করে আপনার শরীরে সৃষ্টি হতে পারে নানারকম উটকো সমস্যার। নিদ্রাজনিত সমস্যারও বর্তমানে একটি প্রধান কারণ রাত্রিকালীন মোবাইল ঘাঁটা। এছাড়ার হতে পারে চোখের সমস্যা। তবে এসব সমস্যা থেকে বাঁচৈর উপায়ও রয়েছে। এবং তা আপনার ফোনেই।

প্রতিটি ফোনের ফিচারে নাইট মোড বলে একটি অপশান থাকে কিন্তু আমরা কার্যত তাচ্ছিল্যের মতই তা ব্যবহার করিনা। তবে, এবার থেকে তা নয় চোখের সমস্যা এবং অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নাইট মোড অন করে রাত্রে ফোনো যেকেনো কাজ করুন। অর্থাৎ নাইট মোড অন করুন আর নিরাপদ থাকুন।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

বয়স ৯৬, এই বয়সে পরীক্ষা দিয়ে পেলেন ১০০ তে ৯৮!

কথায় আছে, শেখার বয়স নেই। উপযুক্ত প্রমাণ কাত্যায়নী আম্মা। কিন্তু কেন? মাত্র ৯৬ বছর বয়স। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *