যাত্রীর এক ‘অন্য আবদার’ মেটালেন বিমান সেবিকা!

এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছে বিমানসেবিকা। বিমানে যাত্রীর এক অন্য আবদার মিটালেন তিনি। বিমান সেবিকার উপস্থিত বুদ্ধি মুগ্ধ হয়েছেন বিমানে থাকা সকলেই। আন্তর্জাতিক বেশকিছু সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, জাপানের একটি ডোমেস্টিক বিমানে এক যাত্রী ওঠার পর থেকেই বিমানসেবিকাদের সঙ্গে অসভ্য ব্যবহার শুরু করেন।

ওই যাত্রীর দাবি ছিল অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পরেও জানলার ধারে জায়গা হয়নি তার। তাই সে শুরু করেন হুড়োহুড়ি। এই অবস্থায় একটি সাদা কাগজ যাত্রীর পাশের দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ওই বিমানসেবিকা। তাতে এঁকে দেন একটি কাল্পনিক জানলার ছবি। গোটা বিমান হেসে ওঠে ঘটনাটি দেখে।

একজন যাত্রী ছবিটি তুলে শেয়ার করলে ভাইরাল হয় সেই ছবিটি। ভাইরাল ছবিটি দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনেকেই।

একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পরল তারপর…

#একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলো !

স্বামীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী খাটের নিচে লুকিয়ে পরল !

পাশেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভদ্রলোকটি পড়তে শুরু করলেন …

স্ত্রী : তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা …ভালোবাসোনা… সময় দাওনা.. মনে হচ্ছে তোমার জীবনে অন্য কোনো মেয়ের আগমন ঘটেছে !

দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছো !

তোমার আর কষ্ট করা লাগবেনা !

আমি ই তোমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি! ভালো থেকো তুমি !

চিড়কুট টি পড়ার পড়ে স্বামী পকেট থেকে ফোন বের করে কানে দিয়ে ই বলতে শুরু করলো…

জানু… আপদটা বিদায় হয়েছে..এখন রিলাক্সে থাকতে পারব !

আমি এখন ই আসছি তোমার সাথে দেখা করতে… ! এসব বলে ফোনটা কেটে দিয়ে ড্রেস চেইঞ্জ করে রুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল !

এসব শুনতে শুনতে স্ত্রী মুখ চেপে কান্না করতে লাগলেন !

স্বামী চলে যাওয়ার পরে বিছুক্ষণ পরে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এলেন !

খাটের উপর একটি চিড়কুট পেলেন…

লেখাটা পড়ে অবাক হয়ে গেলেন !

তাতে লেখা ছিলো…

পাগলী বউ একটা ! খাটের নিচে তোমার পা গুলো দেখা যাচ্ছিল্লো …

আমি তো তোমার জন্য ই কাজকর্মে যাই..তোমার সুখের জন্য ই তো এত কষ্ট করি ! তবু তুমি ভুল বুঝো !

আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি !

আমি কাউকে ই ফোন করিনি !

বাজার থেকে মাংস আনতে যাচ্ছি…

তুমি খাবার রেডি করতে থাকো ..

তারপর একসাথে বসে খাবো কেমন !

আমার পাগলী একটা !

উম্মাহ্ !

লেখাটি দেখে স্ত্রী বসে পরলেন … কাদতে শুরু করলেন ..

কি ভুলটা ই না করতে যাচ্ছিলেন তিনি !

বি.দ্র : ভালোবাসায় সন্দেহ নয় ..বিশ্বাস রাখতে হয় !

একটা ছেলে যত কষ্ট করে তা তার প্রিয়জনকে সুখী রাখার জন্যই করে !।।।।।।।।।।
—————————————–
পোষ্টটি কেমন লাগল?
আপনার মূল্যবান লাইক ও কমেন্ট দিয়ে জানাতে ভুলবেন না।….

খুব সহজে বাঁচতে পারেন জরায়ু মুখের ক্যান্সার থেকে; লজ্জা ভেঙে জানুন কিছু জরুরি তথ্য

আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা এজেন্সি সাম্প্রতিক এক জরীপে বলছে বাংলাদেশে বছরে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি নারী জরায়ু মুখের ক্যান্সারে মারা যাচ্ছে। প্রতি বছর নতুন করে ১২ হাজারের মতো নারীর শরীরে এই ক্যান্সার সনাক্ত হচ্ছে। অথচ অন্য ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় জরায়ু মুখের ক্যান্সার খুব সহজে নির্ণয় করা যায়।

এমনকি হওয়ার আগেই ধরা যায়। তাছাড়া দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও এটি নির্ণয়ের প্রাথমিক ধাপটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। তবুও বাংলাদেশে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের হার এত বেশি কেন? ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের হাসপাতালের গাইনি অংকলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আফরোজা খানম বলেন, জরায়ু মুখের ক্যান্সার নিয়ে হাসপাতালে যেসব নারীরা আসেন তাদের বেশিরভাগেরই অনেক দেরি হয়ে যায়।

তিনি বলেছেন, জরায়ু মুখের ক্যান্সারের মুল সমস্যা হল এটি শেষ পর্যায়ে গেলেই শুধুমাত্র ব্যথা দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলোকে অনেকেই মাসিকের মেয়েলি সমস্যা বলে ভুল করে থাকেন। যখন চিকিৎসকের আসে আসেন তখন প্রায়শই অনেক দেরি হয়ে যায়।

তার ভাষায়, ‘ব্যথা একদমই থাকে না। এর ব্যথা থাকে কখন যখন শেষ পর্যায়ে চলে যায়, যখন রোগটা অনেক দুর ছড়িয়ে যায়। হাড়ের মধ্যে চলে যায়। এই পর্যায়ে গিয়ে ব্যথা হয়। প্রাথমিক ভাবে কোন ব্যথা থাকে না দেখেই কিন্তু আমাদের দেশের নারীরা আসে না। প্রিভেনশন তো বোঝেই না, যখন হয়, হওয়ার পরেও তারা অপেক্ষা করে। দেখা যায় দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব যাচ্ছে কিন্তু লজ্জায় সে কাউকে বলছে না। স্বামীর সাথে মেলামেশায় রক্ত যাচ্ছে সেটিও সে বলছে না। যখন আসে তখন অনেকে দেরি হয়ে যায়।’

অথচ এতদূর পর্যন্ত এটি গড়ানোরই কথা নয়। কারণ অন্য ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় জরায়ু মুখের ক্যান্সার সবচাইতে সহজে নির্ণয় করা যায়। এমনকি হওয়ার আগেই খুব সহজ পরীক্ষায় ধরা যায় ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা। জীবাণু প্রবেশের পর জরায়ু-মুখের ক্যান্সার হতে ১৫ থেকে ২০ বছরও সময় লাগে।

ক্যান্সার সোসাইটির হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ জেবুন্নেসা বেগম জরায়ু মুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং সম্পর্কে প্রচারে সহায়তা করেন। তিনি বলছিলেন, জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার আগেই নির্ণয়ে অনেক সময় পাওয়া যায়।

তিনি সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত যা বললেন তা হল, ‘যে দুই প্রকার প্যাপিলোমা ভাইরাস দিয়ে এই ক্যান্সার হয়, সহবাসের মাধ্যমেই সেটি ছড়িয়ে যায়। ভাইরাসটি ঢোকার সাথে সাথেই ক্যান্সার হয় না। অন্য ক্যান্সারে জীবাণুটি ঢোকার পরে আমরা সময় খুব একটা পাইনা। কিন্তু জরায়ু মুখের ক্যান্সারে ১৫ থেকে ২০ বছরও সময় লাগে জীবাণু প্রবেশের পর ক্যান্সারটি হতে। তার মানে হল এটি নির্ণয়ে এতটা সময় পাওয়া যায়। নিয়মিত স্ক্রিনিং করালে ইনিশিয়ালি আমরা জার্মটা কমিয়ে দিতে পারি।’

‘ক্যান্সার’ শব্দটি শুনলে বেশিরভাগ মানুষের মাথায় সম্ভবত ভীতিকর কিছুর অনুভূতি হয়। কিন্তু এর সাথে যখনি জরায়ু মুখ শব্দটি যুক্ত হয় তখন অনেকেই এ নিয়ে কথা বলায় যেন সংকোচ বোধ করেন। আর এর সাথে যৌন সম্পর্কের বিষয়টি যুক্ত থাকায় সেনিয়ে কথা বলায় রয়েছে আরও আড়ষ্টতা। এমনকি চিকিৎসকেরাও তার বাইরে নন। অথচ জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্ণয়ের পরীক্ষার প্রাথমিক ধাপটি অত্যন্ত সহজ। সময়ও লাগে মাত্র এক মিনিট!

ডাঃ জেবুন্নেসা বলেন, ‘এর স্ক্রিনিংটা খুবই সহজ। কোনো যন্ত্রপাতি লাগে না। আমরা সবাই ভিনেগার বা সিরকার সম্পর্কে শুনেছি। সেটি ডাইলুট করে তুলায় লাগিয়ে জরায়ুর মুখে লাগিয়ে এক মিনিট রেখে দিলে যায়গাটা যদি সাদা হয়ে যায় তখন মনে করতে হবে এটি ক্যান্সারের পূর্বাভাস। তখন আমরা সেটি কোন পর্যায়ে আছে তা জানতে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে বাকি পরীক্ষা করতে পাঠাই। এমনও হয় খুব প্রাথমিক হলে সেখানেই রোগীর জরায়ুতে ইলেকট্রিক সেক দিয়ে দেয়া হয়। সেটাতেও কয়েক মিনিট লাগে’

সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সরকারি জেলা সদর হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, এমনকি নির্বাচিত কিছু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্ণয়ের প্রাথমিক ধাপটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। অর্থাৎ বিবাহিত কিংবা যৌন সংসর্গ আছে এমন নারীরা সিরকা দিয়ে পরীক্ষার সহজ এই ধাপটি করিয়ে নিলেই জেনে যাবেন তার এই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা।

বয়স তিরিশ হওয়ার পর থেকে প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পর পর একবার এই পরীক্ষাটি করিয়ে নিতে বলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু এত সহজ ও বিনামূল্যে সেবা থাকা সত্ত্বেও জরায়ু মুখের ক্যান্সার বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান ক্যান্সার। এতে বছরে মারা যাচ্ছে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি। নতুন করে ১২ হাজারের মতো নারীর শরীরে এই ক্যান্সার সনাক্ত হচ্ছে।

ডাঃ আফরোজা খানম বলছেন, ‘এর সনাক্তকরণের বিনামূল্যের সেবাটি সম্পর্কে তথ্য নারীরা অনেকেই জানেন না। জানলেও সংসার ফেলে সময় ও আর্থিক সমস্যার কারণে আসতে পারেন না। আবার অনেকেই বলেন আমার ক্যান্সার হয়নাই আমি কেন যাব। স্ক্রিনিং এর উপকারটি সম্পর্কে তাদের জানাটা খুব জরুরী।’

ক্যান্সার সোসাইটি নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এম এ হাই বলছেন এর পেছনে প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা একটি সাংস্কৃতিক কারণ রয়েছে। বাংলাদেশে মেয়েদের খুব অল্প বয়সে বিয়ে আর ঘন ঘন সন্তান জন্মদানকেই বলা হচ্ছে এর প্রধান কারণ।

তিনি বলছেন, ‘আমাদের কালচারাল বিষয় হল এখানে অল্প বয়সে বিয়ে হয় আর অনেক বাচ্চা হয়। এত অল্প বয়সে হয় যে, তখন সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো গঠনই হয়নি। এর মাঝেই যৌন সঙ্গম আর খুব অল্প বয়সে বাচ্চা নেওয়া। এতে জরায়ু মুখের উপর অনেক চাপ পড়ে। যেহেতু তারা অপুষ্টিতে ভোগে তাই তাদের সেরে উঠতে সময় লাগে। সব মিলিয়ে জরায়ু মুখে যে ক্ষত তৈরি হয়, তা পুরোপুরি ঠিক হয় না। এভাবে বারবার বাচ্চা হতে গিয়ে যদি বারবার ড্যামেজ হয় তাহলে ঐখানে একটা অ্যাবনরমাল সেল তৈরি হতে পারে।’

তিনি বলছেন, ‘এর অর্থনৈতিক কারণও আছে। যেমন মেয়েরা যারা খাটাখাটি করে ফ্যামিলিতে হয়ত তাদের ঠিকমত দেখাশোনা করে না। তাদেরকে সময়মত ডাক্তারের কাছে নেয়া হয়না। সে নিজে অর্থের অভাবে যেতে পারে না। আর নারীদের স্বভাবই হল সবাই খাওয়ার পরে কিছু থাকলে খায় না থাকলে খায়না।’

ডাঃ হাই বলছেন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কারণের সাথে শিক্ষারও একটি বিষয় রয়েছে। তিনি বলছেন, তারই করা এক গবেষণায় তিনি দেখেছেন যৌনাঙ্গের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিক্ষার মারাত্মক অভাব। তিনি বলছেন, ‘আমি আমার এক স্টাডিতে দেখেছি যে দেশে গ্রামে ৭৫ শতাংশ নারীর জরায়ু-মুখে ইনফেকশন আছে। এর কারণ হচ্ছে যৌন অঙ্গগুলোর নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার অভাব।’

তিনি বলছেন, এই পরিচ্ছন্নতা তাকে নিজেকে যেমন বজায় রাখতে হবে তেমনি তার পুরুষ সঙ্গীকেও সমানভাবে রাখতে হবে। নারীরা লজ্জায় কিছু মুখ ফুটে বলে না- সেই সংস্কৃতিকে পরিবর্তন করতে হবে। বাড়ির পুরুষ সদস্যদের এ ব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলতে পারতে হবে।

তবে ডাঃ আফরোজা খানম হতাশা প্রকাশ করে বলছেন, ‘দেশে মেয়েরা রূপচর্চার জন্য যে সময় ও অর্থ ব্যয় করে সেটি যদি তারা নিজেদের স্বাস্থ্যের জন্য করতো। চেহারা দেখা যায় তাই আমরা তার পেছনে সময় দিচ্ছি। কিন্তু আমার জরায়ু আমাকে মা হতে সাহায্য করে। এটির গুরুত্ব তাদের বোঝা উচিৎ।’

এর বাইরে যেসব নারীর বহু পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক, তারা রয়েছেন বেশি ঝুঁকিতে। অথবা যেসব পুরুষের অনেক যৌন সঙ্গী রয়েছে তারাও নারী সঙ্গীদের বেশি ঝুঁকিতে ফেলছেন। কিন্তু এই ক্যান্সার সম্পর্কে আরেকটি ভালো বিষয় হলো, এটিই একমাত্র ক্যান্সার যার টিকা রয়েছে। যা দেয়ার উপযুক্ত সময় হল মেয়েদের যৌন জীবন শুরুর আগে।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

বাবা ছেলের এই ছবিগুলো যেমন হাস্যকর তেমন অসম্ভব সুন্দর

একজন সন্তান ছোট বেলা থকে বাবাকে অনুসরণ করে। সন্তানের কাছে তাদের বাবাই হলো তাদের প্রথম ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *