মোবাইল ভিজে গেছে? নষ্ট হবেনা, নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন !

মোবাইল ভিজে গেছে? নষ্ট হবেনা, নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে মোবাইল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের তালিকায় একটা অত্যাবশকীয় নাম। ঘর থেকে বের হলেন পকেটে মোবাইল থাকতেই হবে। এর কারণ বর্তমান দুনিয়ায় মোবাইলের মাধ্যমে জীবনপ্রবাহে-যক্ত অনেক কাজই সেরে ফেলে সম্ভব।

বাসা থেকে বের হয়ে অনেক দূরে চলে গেলেন হঠাৎ খেয়াল করলেন পকেট মোবাইল নাই। আপনি মোবাইল নেওয়ার জন্য বাসায় আবার ঠিকই ফিরে আসবেন। মোবাইল ফোন ছাড়া এক মিনিটও কাটানো এখন অসম্ভব অধিকাংশ মানুষের কাছেই ৷ সবার প্রিয় জিনিস এই স্মার্টফোন (মোবাইল) কিন্তু ভিজে গেলেই বিপত্তি ! মোবাইল ‘ওয়াটার প্রুফ’ না হলে বৃষ্টি বা কোনো কারণে ভিজে গেলে খুব সহজেই তা ঠিক করে নিতে পারবেন বিনামূল্যেই। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কী উপায় অনুসরণ করলে আপনার ফোনটি বৃষ্টিতে ভিজলেও রক্ষা পাবে।

বৃষ্টির পানি মুছবেন যেভাবে-

ফোন বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেলে প্রথমে পরিষ্কার করে মুছে ফেলুন ৷ যত বেশি জল থাকবে তত তাড়াতাড়ি ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ৷ খুব বেশিক্ষণ জল থাকলে শর্ট সার্কিটও হয়ে যেতে পারে ৷ এতে ফোনে থাকা সমস্ত ডেটা উড়ে যায় ৷

ভাল করে মুছুন ফোন স্টার্ট করার আগে-

ফোন স্টার্ট করার আগে ভাল করে মুছে নিন ৷ ফোনের ভিতরের সব কিছু, অর্থাৎ ব্যাটারি, সিম কার্ড, মেমরি কার্ড খুলে ফেলুন তাড়াতাড়ি। ফোনের খোলা অংশগুলি একটি শুকনো কাপড়ে মুছে কাপড়টি মুড়ে রেখে দিন। দেখবেন আপনার ফোনের কোনও ক্ষতি হবে না। ফোনের ভিতরের অংশ পাতলা কাপড় দিয়ে ভাল করে মুছে ফেলুন ৷

সিম কার্ডও বাইরে বার করুন-

সিম কার্ডও বাইরে বার করে রাখুন ৷ এরপর ফোনের ভিতরের অংশ ভাল করে মুছে ফেলুন ৷ তারপর সিম কার্ড ইনসার্ট করুন ৷

স্ক্রিন গার্ড খুলুন-

ফোনে স্ক্রিন গার্ড লাগানো থাকলে সেটাও খুলে রাখুন ৷

শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না-

ভুল করেও ফোনে হেয়ার ড্রায়ারের প্রয়োগ করবেন না ৷ হেয়ার ড্রায়ারের গরম হাওয়ায় ভিতরের পার্টসগুলি গলে যেতে পারে ৷

ফোন রোদে রাখুন-

এরপর কিছুক্ষণ ফোনটিকে রোদে রাখুন ৷ যদি কোথাও অল্প পানি থেকে যায় তাহলে রোদে রাখলে তা শুকিয়ে যাবে ৷

ব্যাটারি লাগাবেন ২৪ ঘণ্টা-

২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ফোনে ব্যাটারি লাগাবেন না ৷ চালের মধ্যে বা সিলিকা জেল-এ ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা রাখতে হবে।

এরপরও যদি আপনার ফোন চালু না হয় তাহলে ফোনটিকে সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান ।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

সাবধান! ফেসবুকে এই ধরনের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ভুলেও অ্যাকসেপ্ট করবেন না

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের জনপ্রিয়তা যেমন দিনে দিনে বাড়ছে তেমনই বাড়ছে ফেসবুক স্ক্যামের সংখ্যাও। বহু ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *