Sunday , 16 June 2019

মোদীর ম্যাজিক! মাত্র ৩০ টাকা দিয়ে করান ৫ লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা

মোদী সরকার নিয়ে এল ৩০ টাকার ম্যাজিক! হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন৷ এবার মাত্র ৩০ টাকা জমা করলেই চিকিৎসার খাতের খরচ বাঁচাতে পারেন ৫ লক্ষ পর্যন্ত৷ আয়ুসমান ভারত যোজনা প্রকল্পের প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার (পিএমজেএওয়াই) দৌলতেই সাধারণ মানুষ সুবিধাটি পাবেন৷ অনেক সময়ই গরীব মানুষেরা টাকার অভাবে সঠিক চিকিৎসার থেকে বঞ্চিত থেকে যান৷ মূলত তাদের কথা মাথায় রেখেই সরকার সিদ্ধান্তটি নিয়েছে৷

প্রকল্পের অধীনে নিজেকে রেজিস্টার করালে ইউজার পাবেন একটি গোল্ডেন কার্ড৷ আর, এই কার্ডটি ব্যবহার করেই নামীদামি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পেয়ে যাবেন সাধারণ মানুষ৷ ২৩ সেপ্টেম্বর রাঁচীতে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন৷ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশানুযায়ী, প্রকল্পটি হতে চলেছে কাগজবিহীন এবং টাকাপয়সা বিহীন৷ গরীব এবং অভাবী মানুষদের ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য বিমা হিসেবে গোল্ডেন কার্ডটি দেওয়া হবে৷

মেডিক্যাল কার্ডটিতে থাকবে রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য৷ তাই, চিকিৎসার সময়ে কার্ডটির থাকা বাধ্যতামূলক৷ বিশদ জানতে চোখ রাখুন অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে, mera.pmjay.gov.in৷ এছাড়া, কল করতে পারেন হেল্পলাইন নম্বরে-১৪৫৫৫৷ নিকটবর্তী তলিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিজের নাম রেজিস্টার করাতে পারবেন রোগীরা৷

অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ সরকারও নিয়ে এসেছে পিএমজেএওয়াই স্বাস্থ্য বিমাটি৷ যেটির সাহায্যে রাজ্যের প্রায় ১.১৮ কোটি অভাবী মানুষ উপকৃত হতে চলেছেন৷ এখনও পর্যন্ত ২৭৪ টি হাসপাতালকে প্রকল্পটির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে৷ অন্যদিকে, আরও ৭০০ টি হাসপাতাল পিএমজেএওয়াই প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে৷

সবাই এই বৃদ্ধাকে পাগল ভেবেছিলেন, কিন্তু পরিচয় জানার পর সবাই স্তব্ধ!!

বৃদ্ধাকে পাগল ভেবেছিলেন- কেউ খেতে দিচ্ছেন। কেউ পরিত্যক্ত পোশাক জোগাড় করে দিয়েছেন। কেউ দিয়েছেন কম্বল। রাজারহাট বিষ্টুপুর বটতলার বাসস্ট্যান্ডে পড়ে থাকা এক বৃদ্ধাকে এভাবেই দেখভাল করছেন স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা।

বৃদ্ধা কী করে ওখানে এলেন? স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একদিন সকালে হঠাৎ ওই বৃদ্ধাকে বাসস্ট্যান্ডে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রথমে তাঁরা ভেবে ছিলেন মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। কিন্তু পরে তাঁদের সেই ভুল ভাঙে। তাঁরা জানান, খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে ওই বৃদ্ধা এক সময় রাজারহাট-বিষ্টুপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার ছোটো চাঁদপুরের বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় এলাকায় তিনি ‘গোপালের মা’ নামে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু পরে তিনি ছেলেকে নিয়ে অন্যত্র চলে যান। সোমবার দুপুরে বটতলা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেল, শীর্ণকায় বৃদ্ধা বাসস্ট্যান্ডের মেঝেতে কম্বলের উপরে শুয়ে রয়েছেন। বাসস্ট্যান্ডের পাশে ভাতের হোটেল রয়েছে ভরান মণ্ডলের।

তিনি গত ছ’মাস ধরে ওই বৃদ্ধাকে খাওয়াচ্ছেন। ভরান জানান, বৃদ্ধা খুব কম কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই বৃদ্ধার সঙ্গে কয়েকবার কথা বলে মনে হয়েছে, তিনি শিক্ষিত। এই বৃদ্ধাকে মানসিক ভারসাম্যহীন ভেবেছিলেন সবাই, পরিচয় জানার পর অবাক সবাই। কিন্তু তিনি কিছুতেই নিজের বিষয়ে কোনও কথা কাউকেই বলেন না।’’

স্থানীয়েরা জানান, তাঁরা চেষ্টা করছেন কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মারফৎ বৃদ্ধাকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার। ইতিমধ্যেই বৃদ্ধার ছবি দিয়ে ফেসবুকে পোস্টও করেছে স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ওই বৃদ্ধা সম্বন্ধে দু’একটি তথ্য এসেছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিজিৎ জানান, বৃদ্ধা এদিন বিকেলে একজনকে জানিয়েছেন, তাঁর নাম সরমা পাল। তিনি রাজারহাটের ছাপনায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করতেন। কিন্তু তিনি নিজের ছেলে গোপালকে নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি।

অভিজিতের কথায়, ‘‘মহিলার স্মৃতিভ্রংশ রোগের শিকার কি না দেখা হচ্ছে। যেটা ভাবাচ্ছে তা হল, রাস্তায় এভাবে উনি পড়ে রয়েছেন। মশার কামড়ে ডেঙ্গি হলে কী হবে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি ওঁর পরিবারের লোকজনই ওঁকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে গিয়েছে কি না।

Check Also

লাল জলের নদী আর সাতশো পাহাড়ে ঘেরা সারান্ডার জঙ্গলে সপ্তাহান্তের কাহিনি

সাতশোটা পাহাড়! সত্যিই কি এতগুলো পাহাড় রয়েছে ওখানে? যখন থেকে সারান্ডায় যাওয়ার আলোচনা শুরু হয়, ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *