Wednesday , 25 November 2020
[cvct-advance id=20554]

মোটরবাইক চালাতে মানতে হবে ৭টি নতুন নিয়ম, না মানলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা

আইন ভেঙে বেপরোয়া মোটরবাইক চালানোয় দেশে প্রতিদিন বাড়ছে আহত ও প্রাণহানির সংখ্যা। সবচেয়ে বেশি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বেপরোয়া মোটরবাইক চালানোর মনোভাব বাড়িয়ে দিচ্ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। পুলিশ এই বেপরোয়া মোটরবাইক চালানোর রাশ টানলেও সবসময় সম্ভব হচ্ছে না তা নিয়ন্ত্রণ করতে। পুরনো আইনের ফাঁক গলিয়ে অনেকেই বেরিয়ে যাচ্ছে। তা রুখতে এবার ২০২০ দুই চাকার উইস পলিসি আইন আনল কেন্দ্রিয় সরকার। যেখানে আগের অনেক আইন সংশোধন ও পরিমার্জন করে আপডেট করা হয়েছে।

১) মা’দক সেবন অবস্থায় গাড়ি চালালে : মা’দক সেবন করে মোটরবাইক চালানোর ক্ষেত্রে আগে ফাইন ছিল ২,০০০ টাকা। বর্তমান আইনে সেটা ২০,০০০ টাকা বাড়ানো হলো। সেই সঙ্গে মা’দক সেবন অবস্থায় দুর্ঘটনা ঘটলে গাড়ির ইন্স্যুরেন্সের দাবিগুলি বাতিল হয়ে যাবে।

২) মোটরবাইক চালানো অবস্থায় ফোনে কথা বললে : মোটরবাইক চালানো অবস্থায় ফোনে কথা বলা খুবই বিপজ্জনক। অধিকাংশ দুর্ঘটনার পিছনে আছে গাড়ি চালানো অবস্থায় ফোনে কথা বলা। তবে হামেশাই এই ভুল করতে দেখা যায় বাইক আরোহীদের। এবার থেকে এই অপরাধে ৫,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। পাশাপাশি বাতিল হবে মোটর ইন্স্যুরেন্সের সুবিধাগুলি।

৩) ওভার স্পিডিং বা বিপজ্জনক ভাবে চালালে : ওভার স্পিডিং (খুব জোরে চালালে) করার জন্য মোটরবাইক আরোহীর সাথে পথচারীরাও দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এবার থেকে এই আইন ভাঙলে ফাইন হবে ২০০০ টাকা।
এবং ওভার স্পিডিং কারণজনিত কেও আহত হলে, ইন্স্যুরেন্স প্রোভাইডার বাতিল করতে পারবে। তৃতীয় ব্যক্তির ইন্স্যুরেন্স কভারের সুযোগ সুবিধা।

৪) ট্রাফিক সিগন্যাল ভাঙলে : প্রয়োজনে অথবা বিপজ্জনক ভাবে গাড়ি চালানোর কারণে অনেকেই ট্রাফিক সিগন্যাল ভাঙেন। এতে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বহু মানুষ অকারণে আহত বা মারা যান। এবার থেকে এই বেপরোয়ায় গাড়ি চালানোতে রাশ টানতে জরিমানা বা ফাইন লাগবে ১০০০ টাকা। তারসাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

এছাড়াও, বাইক আরোহীর ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিখিত ভাবে বাইক আরোহীকে নিয়মভঙ্গকারী চালক হিসাবে চিহ্নিত করে রাখবে এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম রেট বাড়িয়ে দিতে পারবে।

৫) হেলমেট ব্যবহার না করলে : হেলমেট ব্যবহার না করলে মোটরবাইক আরোহীকে ১০০০ টাকা ফাইন দিতে হবে এবং ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ইন্স্যুরেন্সের সুযোগগুলি দিতে বাধ্য থাকবে না।

৬) ইন্স্যুরেন্সের না থাকলে : থার্ড পার্টি ভ্যালিড ইন্স্যুরেন্সের কভার থাকতে হবে। ভ্যালিড বাইক ইন্স্যুরেন্সের পলিসি ছাড়া মোটরবাইক চালালে ফাইন দিতে হবে ২০০০ টাকা। যদি আরোহী দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তাহলে মোটর ইন্স্যুরেন্সের ক্লেম রাইজ করতে পারবে না।

৭) দুইজনের বেশি আরোহী চাপালে : দুইজনের বেশি আরোহী চাপালে ফাইন দিতে হবে ২,০০০ টাকা। ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানি এক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্সের দাবিগুলি নাকচ করতে পারবে।

আপডেট করা এই এই নতুন মোটরবাইক আইন মেনে চলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বাইক আরোহীদের সেভ লাইভ, সেভ ড্রাইভ মেনে চলার আবেদন করা হয়েছে।

আপনার কাছে পোষ্ট টি কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন ৷ T=(Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আরো ভালো ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

ছেলে হলে বি’ক্রি করতেন, মে’য়ে হ’ওয়ায় আ’ছড়ে মা’রলেন বা’বা

মাত্র একমাস ব’য়স মী’মের। মে’য়ে হয়ে জ’ন্ম নেওয়ায় বি’র’ক্ত ছিলেন বাবা কামাল হোসেন। আশা ছিল ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page