Friday , 7 August 2020
[cvct-advance id=20554]

মেয়েরা যে বিষয়গুলো গোপন রাখে!

কাজী নজরুল ইসলাম বলে গিয়েছেন, দুনিয়ার সব থেকে বড় হেয়ালি হলো মেয়েদের মন। এদেশের জাতীয় কবি তিনি, কত কত বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা। অথচ নারীর মন নামক রহস্যময় বস্তুটি তিনিও চিনতে পারেননি। বিজ্ঞজনেরা বলে থাকেন, নারীর মন কখন কী চায় তা সে নিজেও ঠিক জানে না! মেয়েদের সম্পর্কে আরেকটি প্রচলিত ধারণা আছে যে তারা কোনোকিছুই গোপন রাখতে পারে না। অর্থাৎ তাদেরকে একটি কথা গোপন রাখতে বললে তারা আরো দশজনকে সেটি বলে দেবে। অন্যের কথা গোপন রাখতে পারুক বা না পারুক নিজের কিছু বিষয় তারা ঠিকই গোপন রাখতে জানে! যদিও সেসব বিষয় গোপন না রাখলেও খুব একটা ক্ষতির কারণ নেই, তবু কোনো এক রহস্যময় কারণে কিছু বিষয় গোপন রাখা তাদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য!

বয়স

একটি মজার কৌতুক আছে এরকম- মেয়েদের বয়স আর ছেলেদের উপার্জন সম্পর্কে জানতে চাইতে নেই। কারণ মেয়েরা নিজের জন্য বাঁচে না আর ছেলেরা নিজের জন্য উপার্জন করে না। এটি নিছকই কৌতুক হলেও এটি কিন্তু সত্যি যে মেয়েরা তাদের সঠিক বয়স বলতে অভ্যস্ত নয়। নিজেকে বেশি সময় ধরে তরুণী প্রমাণ করতেই সম্ভবত তারা এমনটা করে থাকে। অথবা একধরনের হীনমন্যতা থেকেও তারা এটি করতে পারে। বয়স বেড়ে গেলে অনেকের কাছে মূল্য হারাবে এমন আশঙ্কা থেকেও তারা বয়স কমিয়ে বলতে পছন্দ করে!

সৌন্দর্যের রহস্য

কোনো সুন্দরীর কাছে জিজ্ঞেস করে দেখুন সে কী করে এতটা সুন্দরী হলো! বিনিময়ে কিন্তু সে একটুখানি রহস্যময় হাসিই দেবে শুধু। এর অর্থ অনেকটা এরকম- সুন্দর মানেই রহস্য, তা তোমার কাছে ফাঁস করবো কেন! কোন বিউটি প্রোডাক্ট মেখে সে আরও বেশি সুন্দরী হয়েছে তা বলে দিলে আরও অনেকেই সুন্দরী হয়ে যেতে পারে সেই ভয় থেকেও হয়তো বলতে চায় না।

জন্ম তারিখ

জন্ম তারিখটা বলে তবে সঠিক জন্ম সাল সহজে বলতে চায় না। কারণ ওইযে বয়স! জন্ম সাল বলে দিলে যে কেউ তার বয়সের হিসাবটা জেনে যাবে। আর তাইতো জন্ম সালটা সবার কাছ থেকে একেবারেই লুকিয়ে রাখতে চায়।

ওজন

কোনো এক অদ্ভুত কারণে মেয়েরা তাদের ওজন সম্পর্কেও সঠিক তথ্য দিতে চায় না। মোটা মেয়ে মানে সুন্দর নয় এমন একটি ভ্রান্ত ধারণা থেকেই তারা এমনটা করে থাকে সম্ভবত। যদিও চোখের আন্দাজে অনেকের উচ্চতা ও ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় তবু তারা নিজ মুখে সত্যিটা বলতে চায় না!

প্রথম প্রেম
সাধারণত যেকোনো মানুষ প্রথমবার প্রেমে পড়ে তার কৈশোরেই। কারণ এই সময়টাতে সে জগৎ ও জীবন সম্পর্কে নতুন নতুন ধারণা পায়, নতুন নতুন কৌতুহল জন্মায়। বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতিও স্বভাবজাত আকর্ষণটাও তাই এই সময়টাতেই জন্মায়। কিন্তু প্রথমবার প্রেমে পড়ার কথা ছেলেরা যতটা অকপটে স্বীকার করে, মেয়েরা তা কখনোই করে না!

স্বামীর উপার্জন

স্বামীর উপার্জন বেশি হোক বা কম, মেয়েরা তা অন্যদের বলতে পছন্দ করে না। কম হলে তা অন্যদের কাছে ছোট হওয়ার ভয়ে আর বেশি হলে অন্যদের কাছে ঈর্ষার পাত্রী হওয়ার ভয়ে বলে না হয়তো।

সবটুকু পড়ে মেয়েদের ক্ষেপে যাওয়ার কিছু নেই। অধিকাংশ মেয়ে এমনটা করে থাকে। এর মানে কিন্তু এই নয় যে সব মেয়েই এমনটা করে! আপনি যদি ক্ষেপে যান তার মানে কিন্তু আপনিও সেই অধিকাংশ মেয়েরই একজন! আর যদি হাসিমুখে মেনে নেন তার মানে হলো আপনি এসবকিছুই গোপন করতে পছন্দ করেন না।

আপন দুই ভাইয়ের বউদের এ কী কাণ্ড!!

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউপির বিল জালিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের দুই ছেলের বউ একই রাতে স্বামীদের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হয়েছে।

গত ২৫ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে তারা পালিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ওই দুই নারীর শ্বশুর আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস বাদী হয়ে পাংশা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগকারী আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস জানান, গত ২৫ জুলাই রাতে খাওয়া দাওয়ার পর তার ২ ছেলে তাদের স্ত্রীদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ছেলে নাজমুল হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার পাশে স্ত্রী স্বপ্না খাতুন নেই। পরে তিনি বড় ভাই কামরুল বিশ্বাসের ঘরে গিয়ে দেখেন দরজা খোলা এবং তার ভাবি জুথি খাতুন ও ভাতিজা ইয়াছিনও (১৯ মাস) নেই।

ওই রাতেই বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নিলেও তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। কী কারণে তারা বাড়ি থেকে চলে গেছেন তারও কোনো কারণ বলতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ব্র্যাক এনজিও থেকে নেয়া ৮০ হাজার টাকা, ফার্মের মুরগি বিক্রির ২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে তারা দুজন উধাও হয়েছেন।

আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে নাজমুল বিশ্বাস জানান, উধাও হওয়ার পর মাঝে মধ্যে তার স্ত্রীর মোবাইল ফোন খোলা পাওয়া যাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যাস্ত থাকছে। পরক্ষণেই আবার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তার স্ত্রীর পরিবার থেকে নানাভাবে তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে যেকোনো মূল্যে তাদের মেয়েকে খুঁজে দিতে।

জানা যায়, কামরুল বিশ্বাস উপজেলার কুলটিয়া এলাকায় ৩ বছর আগে বিয়ে করেন। অপরদিকে ভালোবেসে নাজমুল পাশের বৃত্তিডাঙ্গা গ্রামে বিয়ে করেন। নাজমুল বেশ কয়েক বছর বিদেশ থেকে সম্প্রতি ৪ মাস আগে দেশে ফিরেছেন।

এ বিষয়ে পাংশা থানার ওসি আহসান উল্লাহ জানান, দুই ভাইয়ের স্ত্রী উধাও হওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাননি।

Check Also

আকাশে উড়তে উড়তে হঠাৎ করেই মাটিতে নেমে আসে এই বিষাক্ত ‘উড়ন্ত’ সাপ

উড়ন্ত সাপ খুব কম দেখা যায় ৷ এই ধরণের সাপ দারুণ বিষাক্ত হয় আর তার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *