Thursday , 30 July 2020
30 Jul 2020, 7:20 AM (GMT)

INDIA Covid19 cases updates

1,587,982 Total
35,035 Deaths
1,022,565 Recovered
Corona Live:
  • World 17,195,721
    World
    Confirmed: 17,195,721
    Active: 5,818,712
    Recovered: 10,706,687
    Death: 670,322
  • USA 4,568,375
    USA
    Confirmed: 4,568,375
    Active: 2,169,009
    Recovered: 2,245,521
    Death: 153,845
  • Brazil 2,555,518
    Brazil
    Confirmed: 2,555,518
    Active: 677,911
    Recovered: 1,787,419
    Death: 90,188
  • India 1,587,982
    India
    Confirmed: 1,587,982
    Active: 530,382
    Recovered: 1,022,565
    Death: 35,035
  • Russia 828,990
    Russia
    Confirmed: 828,990
    Active: 194,984
    Recovered: 620,333
    Death: 13,673
  • Spain 329,721
    Spain
    Confirmed: 329,721
    Active: 301,280
    Recovered: N/A
    Death: 28,441
  • UK 301,455
    UK
    Confirmed: 301,455
    Active: 255,494
    Recovered: N/A
    Death: 45,961
  • Iran 298,909
    Iran
    Confirmed: 298,909
    Active: 23,450
    Recovered: 259,116
    Death: 16,343
  • Pakistan 277,402
    Pakistan
    Confirmed: 277,402
    Active: 25,347
    Recovered: 246,131
    Death: 5,924
  • Italy 246,776
    Italy
    Confirmed: 246,776
    Active: 12,616
    Recovered: 199,031
    Death: 35,129
  • Bangladesh 232,194
    Bangladesh
    Confirmed: 232,194
    Active: 98,867
    Recovered: 130,292
    Death: 3,035
  • Germany 208,811
    Germany
    Confirmed: 208,811
    Active: 7,599
    Recovered: 192,000
    Death: 9,212
  • Canada 115,470
    Canada
    Confirmed: 115,470
    Active: 6,088
    Recovered: 100,465
    Death: 8,917
  • China 84,165
    China
    Confirmed: 84,165
    Active: 574
    Recovered: 78,957
    Death: 4,634
  • Singapore 51,531
    Singapore
    Confirmed: 51,531
    Active: 5,406
    Recovered: 46,098
    Death: 27

বৃদ্ধাশ্রম থেকে ছেলের কাছে অসহায় বাবার দুনিয়া কাঁদানো চিঠি! যা শুনে কাঁদতে কাঁদতে বেহুশ…

সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার সময় একজন বাবা তার মুখের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখতে থাকে। বাবা হয়তো কোনদিন ভাবে না যে তার সন্তান তাকে রেখে আসবে বৃদ্ধাশ্রমে। পাঠক আজ একজন অসহায় বাবার বৃদ্ধাশ্রম থেকে ছে’লের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি তুলে ধরছি:-

প্রিয় সোনামানিক, তুমি কেমন আছ একথা জিজ্ঞাসা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক মনে করছি। তুমি ভাবছ হয়ত তোমা’র বাবা আগের মত তোমায় ভালোবাসে না। যদি এটা ভেবে থাক তবে তোমা’র সেই ছোট্টবেলার মত আরেকটি ভুল করলে। আমি মনে প্রা’ণে বিশ্বা’স করি তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো আছ কেননা আম’রা দোয়া যার সাথে সর্বদা জড়িয়ে থাকে সে খা’রাপ থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বা’স করিনা।

আমা’র বউমা এবং প্রিয় দাদুভাইয়েরাও ভালো আছে বলে বিশ্বা’স। আমি কোন মে’য়ের বাবা হতে না পারলেও তোমাকে বিবাহ দিয়ে যে লক্ষ্মী বউমাকে পেয়েছিলাম তাকে কোনভাবেই ক’ষ্ট দিবে না। লক্ষ্মী মে’য়েটি আমা’র মে’য়ের শুণ্যস্থান পুর্ণ করে দিয়েছে!

আমা’র নাতী-নাতনীদের অনেক অনেক আদর দিও এবং তাদের কোন চাওয়া অ’পূর্ণ রাখবে না। তোমা’র হতভাগ্য-হতদরিদ্র জন্ম’দাতা তোমা’র চাহিদা তো দূরের কথা মৌলিক চাহিদাও সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ করতে পারেনি কিন্তু তুমি তো গরীব নও। সুতরাং ছে’লে-মে’য়ের কোন শখ যেন অ’পূর্ণ না থাকে। তোমাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। পাশের রুমের গণি মিয়া আমা’র সূখ দেখে ঈর্ষা করে কেননা তুমি প্রতি বছর দু’ইবার আমা’র কাছে ছুটে আস।

তোমা’র ব্যস্ততা রেখে তোমাকে আসতে বারবার নিষেধ করি তারপরও তুমি কেন আস তা আমি বুঝতে পারি না। এটা ভেবোনা যে, তুমি না আসলে আমি তোমায় ভুলে যাব কিংবা কম দোয়া করবো বরং তোমাদের প্রতি দোয়ার পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে।

কেননা দিন দিন যেভাবে অক্ষম হয়ে যাচ্ছি তাতে আমা’র পৃথিবীটা সংকুচিত হতে হতে আমা’র এক চোখ ভাঙা চশমাটির মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফসুস বেচারা গণি মিঞার জন্য! ওর সন্তানগুলো ওকে এখানে রেখে যাওয়ার পর একবারও খোঁজ নেয়নি; শুধু টাকা পাঠানো ছাড়া। প্রিয় পুত্রধন!

জীবন সায়াহ্নে এসে বারবার অনুশোচনা হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কোথাও যেন আমি চরম ভুল করেছি। তোমাকে লালন-পালন করতে গিয়ে কোথায় যেন আমি আমা’র দায়িত্ব ঠিকমত পালন করতে পারিনি। তোমা’র মা আর আমি তোমাকে বাইরে রেখে জীবনের কোন পরিকল্পনা সাজাই নি অথচ আজ যেন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। তোমা’র কাছে হয়ত এটাই আমা’র শেষ চিঠি তাই কিছু কথা বলে যাওয়া আবশ্যক।

বৃদ্ধাশ্রম

এত তাড়াতাড়ি ম’রে যাবো সেটা মনে হচ্ছে না কেননা আমি চাইলেই তো আর মৃ’ত্যু আমাকে ধ’রা দেবে না কিন্তু লিখতে বসলে চোখ যেভাবে ঝাপসা হয়ে আসে, হাত যেভাবে কাঁপতে শুরু করে কিংবা মস্তিষ্ক যেভাবে আমা’র বিরুদ্ধাচারণ করে তাতে তোমাকে আর লিখতে পারবো বলে মনে হয়না। তাই জীবনের শেষ কথাগুলো আজকেই বলে দিব। ভেবোনা, আমি তোমাকে কৈফিয়তের কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবো।

ম’রন সমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সন্তান হিসেব তুমি ‍সুসন্তানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও আমি পিতা হিসেবে মোটেও সফল নই। বৃদ্ধাশ্র্রম নিয়ে সমাজে বহু ধরণের খা’রাপ কথা প্রচলিত থাকলেও আমি সেটা মনে করিনা। তুমি আমাকে জোড় করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও নি বরং আমিই তোমা’র চোখের জলের বিরুদ্ধাচারণ করে এখানে আশ্রয় নিয়েছি।

আব্বু, তোমা’র হয়ত মনে নাই কিন্তু শুধু তোমা’র লেখাপড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেই কথা ভেবে আমা’র পক্ষের প্রায় সকল আত্মীয়ের সাথে স’ম্পর্ক শিথিল করে ফেলেছিলাম। তোমা’র মা তোমা’র নানা-নানীর একমাত্র মে’য়ে হয়েও তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল শুধু তোমা’র উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চিন্তায়। আমি এবং তোমা’র মা-আমাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়েছি। দেশের মাত্র কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম যদি উচ্চারিত হয় তবে সেখানে আমাদের সোনমানিকের নামটিও উচ্চারিত হয়।

এটা কি আমাদের কম আনন্দের-কম পাওয়া। এত হিসেব করে তোমাকে মানুষের মত মানুষ করা এই বৃদ্ধ যদি আজ আমা’র দাদুভাইদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অন্তরায় ঘটায় তবে সেটা বেমানান বটে! এখানে যে ছে’লেটা আমাদের দেখাশুনা করে সে ছে’লেটার মত ছে’লে খুব কম দেখা যায়।

ওর স’ম্পর্কে বললে তোমা’র মনে হবে এই জগতেও এমন বোকা ছে’লে আছে! সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা কিংবা গভীর রাতে মিষ্টি হেসে জিজ্ঞাসা করে, কাকা! কিছু লাগবে? ওর আচরণে তোমা’র অনুপস্থিতিতে বুকের মধ্যের শূন্যতা কেমন যেন পূণ্য হয়ে যায়। ছে’লেটা খুব গরীব। দিনরাত পরিশ্রম করে এখান থেকে যা মাইনে পায় তা দিয়েই ওর বাবা-মা এবং স্ত্রী’-সন্তানদের নিয়ে চলতে হয়। আমি মনোযোগ দিয়ে ওর ক’ষ্টের কথা শুনি; আমা’র মত অক্ষম-অলসের এর বাইরে তো আর কোন কাজ থাকে না। আমা’র ইচ্ছা হয় ওকে কিছু বাড়তি টাকা দেই। কিন্তু আমা’র সে সাধ্য তো নাই। ছে’লেটাকে বলেছিলাম ওর বাবা-মাকে এই বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসতে।

এ কথাশুনে ছে’লেটা হাউমাউ করে কেঁদে দিয়ে বলেছে, র’ক্ত বিক্রি করে হলেও বাবা-মাকে নিজের কাছে রাখবে; কোনদিন বৃদ্ধাশ্রমে দিবে না। ছে’লেটার কথা শুনে ভেতরটা হঠাৎ মুচড়ে গিয়েছিল কিন্তু ক্ষণিক পরেই বুঝলাম আমি হয়ত আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছি! তাই এ নিয়ে আর ও ছে’লেটার কাছে কিছু বলতে যাইনি। অল্পশিক্ষিত একটি ছে’লে তার বাবা-মাকে নিয়ে যা ভাবছে সেটা কেবল আবেগের কথা! তোম’রা যারা উচ্চশিক্ষিত তারা আবেগকে প্রশ্রয় দিবে কেন? আব্বু! আগামী বার আমাকে যদি দেখতে আসো তবে আমা’র কলিজারটুকরো প্রা’ণপ্রিয় দাদুভাইদের নিয়ে এসো। আমি দেখতে চেয়েছি শুনলে ওরা আসতে চাইবে।

বউমাকে এতদূর আনার দরকার নাই। মামনী আমা’র গরম সহ্য করতে পারে না। জানি দাদুভাইদেরও ক’ষ্ট হবে। কিন্তু জীবনে এই শেষবার। আর কোনদিন ওদের দেখতে চাইবো না বলে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না কেননা দিন যত সামনে এগুচ্ছে ততোই আমা’র আচরণগুলো শি’শুদের মত হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে যদি কখনো দাদুভাই কিংবা বউমাকে দেখতে চাই তবে সেটা আমা’র শি’শু সূলভ খামখেয়ালী ভেবে মূল্যায়নের বাইরে রেখো। আসার সময় বাসা থেকে কিছু রেঁধে আনবে না।

এখানে যে খাবার দেয় তার তুলনায় বাসার খাবারগুলো অনেক খা’রাপ! অনেক কথাই লেখার ছিল কিন্তু আর কিছুই লিখতে পারলাম না। কোথা থেকে একটা অন্ধ পোকা এসে আমা’র চোখের মধ্যে ঢুকে পড়লো! কিছুটা যন্ত্র’নাও হচ্ছে বটে। অক্ষমবাবাকে ক্ষমা করো। তোমা’র সন্তানদের জন্য তুমি যেন আমা’র মত অক্ষম বাবা না হও তার চেষ্টা করো। কয়েকদিন হল তোমা’র মা আমায় খুব জ্বালাচ্ছে। তাকে হা’রানোর ১৫ বছর পর এমনটা কেন ঘটছে তা বুঝতে পারছি না।

স্বপ্নে সে কেবল ডেকেই যাচ্ছে। আমা’র আরও অনেকদিন বাঁচতে ইচ্ছা করে এবং বৃদ্ধাশ্রমের খালি ঘরগুলোতে কারা আমা’র বন্ধু হয় তা দেখতে সাধ হয় কিন্তু সে সৌভাগ্য আমা’র হবে না বোধহয়! আমি মা’রা যাওয়ার পর, তোর মায়ের পাশেই আমাকে কবর দিও। এতে কিছুটা যায়গা নষ্ট হবে ঠিক কিন্তু তোমা’র মাকে ছেড়ে আমি দূরে থাকতে পারবো না। আমা’র এ আব্দারটুকু রেখো। রাখবে তো? আমায় ক্ষমা করে দিও। তোমা’র অক্ষম জন্ম’দাতা নতুনপল্লী বৃদ্ধাশ্রম।

আপনার কাছে পোষ্ট টি কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন ৷ T=(Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আরো ভালো ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

মায়ের সাথে গ্রামে গ্রামে ঘুরে চুড়ি বিক্রি করা ছেলে আজ IAS অফিসার

মায়ের হাত ধরে মায়ের সঙ্গে গ্রামে গ্রামে অলি-গলি ঘুরে চুড়ি বিক্রি করত ছোট্ট রমেশ।চুড়ি বিক্রি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *