বাবার শেষকৃত্যের দিন মায়ের মৃত্যু, কী হবে দুই নবজাতকের? পড়ুন মর্মান্তিক ঘটনা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ওয়েস্ট পাম বিচ এলাকায় গত ১১ জুলাই দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন জেভান সুকু। এর ঠিক তিনদিন পর তাঁর স্ত্রী স্টিফেনি ক্যাসেরেসের কোলজুড়ে আসে যমজ সন্তান। বাবার আদর বঞ্চিত এই দুই নবজাতকের মায়ের কোলেও ঠাঁই হয়নি বেশি দিন। কারণ বাবা সুকোর শেষকৃত্যের দিনই মৃত্যু হয় মা স্টিফেনির।

দুই নবজাতক ছাড়াও স্টিফেনি-সুকু জুটির কেইলানি নামের দুই বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। বাবা হারা ওই তিন শিশুকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন স্টিফেনি। যমজ সন্তান জন্মের একদিন পর ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘আমি সত্যিই জানি না, একজন বাবা কীভাবে তিন সন্তান রেখে চলে যেতে পারে। দুই সন্তান তো তাদের বাবাকে দেখলই না।’

স্টিফেনি আরো লেখেন, ‘আমার সন্তানরা এটা প্রত্যাশা করেনি। আমি শক্ত হতে চেষ্টা করছি। তবে এটা মোটেই সহজ হবে না। এই যুদ্ধটা আমাকে আজীবন করে যেতে হবে।’ তবে তিন সন্তানকে নিয়ে যুদ্ধে নামার আগেই নিয়তির কাছে হার মানলেন স্টিফেনি।

জীবাণু সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ১০ দিন থাকার পর স্থানীয় সময় গত বুধবার মারা যান তিনি। সেদিনই শেষকৃত্য হয় সুকুর।

মা-বাবার মৃত্যুর পর ‘ফান্ডরেইজিং পেজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই তিন শিশুর দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এদিকে, এখন পর্যন্ত সন্ধান পায়নি তাদের বাবা সুকুর হত্যাকারীদের।

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা , ক্লাসে একটি মেয়েকে সাইকোলজি টিচার জিজ্ঞাসা করলেন…

সাইকোলজির টিচার ক্লাসে ঢুকেই বললেন :- আজ পড়াবো না। সবাই খুব খুশি। টিচার ক্লাসের মাঝে গিয়ে একটা বেঞ্চে বসলেন। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, বেশ গল্পগুজব করার মতো একটা পরিবেশ। স্টুডেন্টদের মনেও পড়াশোনার কোনো চাপ নেই। টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটিকে বললেন :- জননী, তোমার কি বিয়ে হয়েছে ? মেয়েটি একটু লজ্জা পেয়ে বললো :- হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলেও আছে। টিচার চট করে উঠে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন :- আমরা আজ আমাদের একজন প্রিয় মানুষের নাম জানবো।

এই কথা বলে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বললেন :- মা আজকে তুমিই টিচার, এই নাও চক্-ডাস্টার। যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটি বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লিখলো।

টিচার বললেন :- এঁরা কারা ? তাঁদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটি তাঁদের পরিচয় লিখলো। সংসারে, পাশে ও দু একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। এবার টিচার বললেন :- লিস্ট থেকে পাঁচজনকে মুছে দাও। মেয়েটি তাঁর প্রতিবেশী আর ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিল৷

টিচার একটু মুচকি হেসে বললেন :- আরো তিন জনের নাম মোছো। মেয়েটি এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাসের অন্য স্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টিকে। টিচার খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটির হাত কাঁপছে, সে ধীরে ধীরে তার বেস্ট ফ্রেণ্ডের নাম মুছলো।

বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটি রীতিমতো কাঁদছে। যে মজা দিয়ে ক্লাস শুরু হয়েছিল, সে মজা আর নেই। ক্লাসের অন্যদের মধ্যেও টান টান উত্তেজনা। লিষ্টে আর বাকি আছে দুজন। মেয়েটির স্বামী আর সন্তান। টিচার এবারে বললেন আর একজনের নাম মোছো।

কিন্তু মেয়েটি ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারোর নাম সে মুছতে পারছে না, টিচার বললেন :- মা গো, এটা একটা খেলা। সাইকোলজির খেলা। জাস্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি। মেরে ফেলতে তো বলিনি। মেয়েটি কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে তার সন্তানের নাম মুছে দিলো। টিচার এবার মেয়েটির কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে বললেন :- তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য। এবারে বলো কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে।

মেয়েটি বললো :- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম, তবুও আমার কাছে বেস্ট ফ্রেণ্ড আর পরিবারের সবাই রইলো। পরে যখন আরও তিনজনের নাম মুছতে বললেন, তখন বেস্ট ফ্রেণ্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম ভাবলাম বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড না থাকলে কি হয়েছে ?

আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেস্ট ফ্রেণ্ড। কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুজনের মধ্যে একজনকে মুছতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না পরে ভেবে দেখলাম, ছেলে তো বড় হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের বাবা তো কোনো দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।

..তাই নিজের জীবনসঙ্গীকে প্রাণ ভরে ভালোবাসুন। কারণ, তিনিই শেষ পর্যন্ত আপনার সাথে, আপনার পাশে থাকবেন।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

আপনার মানসিক চরিত্র জেনে নিন এই ছবি থেকে

আমাদের দৈনন্দিন জীবন শুধুমাত্র আমাদের সজাগ, সচেতন মন, উপস্থিত বুদ্ধি, বুদ্ধিমত্তা বা সহজাত প্রবৃত্তি দ্বারা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *