ফিটকিরির যে ৬টি অজানা ব্যবহার!

সাধারণত জলকে পরিশোধিত করতে ফিটকিরি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটা আরও বিভিন্ন কাজে লাগে। ত্বকের সমস্যা থেকে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে ফটকিরি খুবই কাজের জিনিস। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ফিটকিরির এমন বেশ কিছু ব্যবহার যা হয়তো আপনার অজানা!

মুখে ব্রণ হলে ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু’চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো দিয়ে প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এই ভাবে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে মাখুন। দ্রুত উপকার মিলবে।

ফিটকিরি ডিওড্র্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফিটকিরির গুঁড়োর সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ। এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি করে নিন নিজের ডিওড্র্যান্ট।
দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়ার কারণে অনেক সময় মুখে গন্ধে হয়। ফিটকিরি এই ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম।

এক গ্লাস জল ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটে নুন আর ফিটকিরির গুঁড়ো মেশান। মিশ্রণ ঠান্ডা হলে, তা দিয়ে কুলকুচি করুন। নিয়মিত ঘুম থেকে উঠে আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই ভাবে কুলকুচি করতে পারলে মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে।

মুখের ভিতরে কোনও ঘা হলে, সেখানে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু মুখের ঘা তাড়াতাড়ি শুকোবে। তবে এই সময় মুখের লালা গিলে ফেলবেন না। মুখে, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যাচ্ছে? চিন্তা নেই। এক টুকরো ফিটকিরি জলে ভিজিয়ে তা মুখে ভাল করে ঘষুন। তার পরে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

শিশুদের মাথায় প্রায়ই উকুন ও উকুনের ডিম হয়। জলে ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান। এ বার ১০ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্পে) মাসাজ করুন। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন। দ্রুত ফল মিলবে।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন? ব্যাথায় ঘুম আসছে না? এই ঘরোয়া চিকিৎসাতে দুদিনে দাঁতের ব্যাথা কমিয়ে ফেলুন

কথাতেই আছে ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝেনা’… একথা কতটা সত্যি সেটা তারাই বোঝেন যারা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *