ফাঁসি দেওয়ার সময় অপরাধিদের কানে কি বলা হয় দেখুন

আমাদের দেশে ফাঁসি দেওয়ার আইন থাকলেও তা কিন্তু সবসময় কার্যকর নয়। একজন অপরাধী তাঁর অপরাধের চরম সীমা অতিক্রম করলে তবেই ফাঁসি দেওয়া হয়। আসলে ফাঁসি বললেই ফাঁসি দেওয়া যায় না। অনেক নিয়ম থাকেন। ইতিহাসের পাতায় শহীদ ক্ষুদিরামের ফাঁসির কথা শুনেছি, ধনঞ্জয়ের ফাঁসির কথা শুনেছি। কিন্তু ফাঁসির বিষয়ে আর বিশেষ কিছু জানা আমাদের সম্ভব হয়নি।

ফাঁসি দেওয়ার সময় সেখানে আইনমহলের উঁচপদের প্রশাসনিক কর্তারা থাকেন। এছড়াও সেখানে জেল আধিকারিক, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং ডাক্তার উপস্থিত থাকেন। এদের ছাড়া ফাঁসি অসম্ভব। তবে আরও একজন থাকেন তিনি হলেন জল্লাদ। ফাঁসি প্রক্রিয়া, ফাঁস এসব অনেক আগেই করা থাকে। জল্লাদ ফাঁসি দিয়ে থাকেন। তিনি সমস্ত নির্দেশ ঠিকমতো পালন করে তবে ফাঁসির দড়িতে টান দেন।

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যাবে স্বাধীনতার পরে মাত্র ছাপ্পান্ন জনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে আমাদের ভারতে। দুজন জল্লাদ এই ভারতে সকল ফাঁসি দিয়ে থাকেন। যদিও 2009 সালের নাটা মল্লিক নামের একজন জল্লাদ মৃত্যুবরণ করেন।জল্লাদ তিন হাজার টাকার বিনিময়ে একটি ফাঁসি দেন। কিন্তু কোনো বিশেষ ব্যক্তিদের অপরাধীদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হয়।

ফাঁসি দেওয়ার সময় জল্লাদ অপরাধীর কানে কানে একটা কথা বলেন, সেটি হল আমাকে মাফ করে দিন। হিন্দু ভাইদের রাম রাম এবং মুসলিম ভাইদের কে সালাম দেন। হুকুমের গোলাম হওয়াতেই আমি এই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছি।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

বয়স ৯৬, এই বয়সে পরীক্ষা দিয়ে পেলেন ১০০ তে ৯৮!

কথায় আছে, শেখার বয়স নেই। উপযুক্ত প্রমাণ কাত্যায়নী আম্মা। কিন্তু কেন? মাত্র ৯৬ বছর বয়স। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *