Wednesday , 25 November 2020
[cvct-advance id=20554]

নিজের দূর্গন্ধযুক্ত মোজা বিক্রি করেই এই সুন্দরীর আয় বছরে ৯৫ লাখ টাকা, পড়ুন বিস্তারিত

না না কোনও জামা-কাপড় একদম নয়, শুধুমাত্র নিজের পায়ের মোজা বিক্রি করে বছরে ১ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেন এই সুন্দরী রমণী! তা-ও আবার নতুন কোনও মোজা নয়, তাঁরই ব্যাবহার করা দুর্গন্ধযুক্ত মোজা বিক্রি করে তাঁর এই আয় হয়! এই খবর পোস্ট হওয়ার পরেই ভাইরাল হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক এই সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং সেখান থেকে জানা গেছে যে, ৩৩ বছরের এই মডেল রক্সি সাইকস সম্প্রতি নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি তাঁর ব্যবহার করা মোজা ও জুতো বিক্রি করে বছরে যা আয় করেন, তার অর্থ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯৫ লক্ষ টাকা। আগেই বলে রাখি এই রক্সি হল একজন ‘ফুট ফেটিশ মডেল’। এর মানে হল, তিনি আসলে শুধুমাত্র তাঁর পা দেখিয়েই পুরুষদের যৌন মনোরঞ্জন করে থাকেন।

লন্ডনের বাসিন্দা এই রক্সি তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে প্রায়ই তাঁর পায়ের বিভিন্ন বিভঙ্গের ছবি পোস্ট করেন। তাঁর পায়ের এইসব ছবি নিয়ে চর্চাও কিন্তু কম হয় না সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডলে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ১০,০০০-এরও বেশি।

তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তাঁর ফ্যানদের দাবি মেনেই তিনি তাঁর ব্যবহৃত মোজা বিক্রি শুরু করেছেন। তিনি যখন বিক্রি শুরু করেন তখন প্রথমে তাঁর মোজার দাম ছিল ২০ পাইন্ড ও জুতোর দাম ছিল ২০০ পাউন্ড। ৪ বছর ধরে এই বিক্রির পরে পরে রক্সি বুঝতে পারেন যে, তাঁর এই বিক্রির কারণে তাঁর মাসিক আয় ইতিমধ্যেই প্রায় ৮০০০ পাউন্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে।

আসলে তিনি কী ভাবে এই ফুট ফেটিশিজম-এর জগতে এলেন জানেন কি? এই প্রশ্ন তাঁকে করা হলে রক্সি জানান যে, তাঁরই এক সহকর্মী তাঁকে এক সময়ে জানিয়েছিলেন, তাঁর পা দুটো খুব সুন্দর। এই কথা শোনার পরেই তিনি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাঁর পায়ের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করতে শুরু করেন। প্রথমে যখন তিনি এসব শুরু করে্য তখন তিনি তাঁর মুখ দেখাতেন না। কিন্তু আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা বাড়আর ফলে একসময় তিনি মুখ দেখাতে বাধ্য হন।

তিনি জানিয়েছেন যে, তাঁর এর পরের পদক্ষেপ ছিল মোজা ও জুতো বিক্রি করা। কারণ ছবি ও ভিডিও দেখে তাঁর ফলোয়াররা তাঁর কাছ থেকে আরও অনেক ‘বেশি কিছু চাইতে শুরু করেন। আপাতত এই কাজ করে খুব খুশি রক্সি।কারণ এখন তাঁর পায়ের ম্যাজিক দেখিয়ে এবং তার মাধ্যমে ইনকাম করার উপায় এখন তাঁর হাতের মুঠোয়, আসলে তাঁর পায়ের পাতায়।

আপনার কাছে পোষ্ট টি কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন ৷ T=(Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আরো ভালো ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

মায়ের গর্ভে শিশুরা লাথি মারে কেন জানেন? এর পিছনে রয়েছে দারুন কিছু তথ্য

মায়ের গর্ভে শিশুরা- জিজ্ঞাসা করুন সেই মাকে, যাকে তার বাচ্চা গর্ভাবস্থায় পেটের ভেতরে লাথি মারে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page