Saturday , 8 August 2020
[cvct-advance id=20554]

ধেঁয়ে আসছে ২০০০ মাইল লম্বা সাহারা মরুভূমির ধুলো ঝড়, টুইট করে জানালো নাসা! রইলো বিস্তারিত

আসতে চলেছে আফ্রিকার ধুলোঝড়। তারই পূর্ব লক্ষণ ধরা পড়েছে, নাসা-এনওএএর সুমি এনপিপি স্যাটেলাইটে। তারাই প্রথম সতর্কবার্তা জারি করল। ধুলোর ঝড় টি প্রায় ২০০০ মাইল লম্বা। তবে কি আবারও ধুলোর ঝড় এসে গন্ডগোল বাধায় চলেছে, আশ’ঙ্কায় মানুষ। এই ধুলো ঝড়ের অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর। চরম অবস্থা নিয়ে ধেয়ে আসছে এই ঝড়।

বিশেষজ্ঞদের দেওয়া সতর্কবার্তা অনুযায়ী, স্থলভাগের ঝড় এসে পড়া মাত্রই এর আকৃতি আরো বিশাল আকার হবে। এর লেজের অংশ এখনো স্প’ষ্ট নয়। ফলে সাগর পাড়ি দিলে এটি আকার হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার মাইল। প্রায় সাতদিন আগে উপগ্রহ চিত্রে আফ্রিকার উপকূল থেকে ধুলোর ঝড় আসার বিষয়টি দেখা গিয়েছে।

এই ধুলোর ঝড় কিভাবে সৃষ্টি হয় সে সম্পর্কে অনেকেরই জানা নেই। মরু অঞ্চলের প্রধানত উষ্ণ বায়ু প্রবাহিত হয়। ওই মরু অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু অত্যধিক পরিমাণে ধুলোবালি সঞ্চয় করে নিয়ে আসে। ধীরে ধীরে সেই বায়ু শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে। এইভাবে শক্তি সঞ্চয়ের মাধ্যমে বিশালাকৃতির ধূলি ঝড়ের সৃষ্টি করে। এই ধুলো ঝড়ের আকৃতি বিশাল। শক্তিও অনেক।

এই ঝড়ের প্রভাবে আকাশ পুরোপুরি ভাবে ঢেকে যায়। চোখের সামনে সবকিছুই ধোঁয়ার মতো দেখতে লাগে। সেই ধুলো ও বালির কণার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে মা’রাত্মক ধুলো ঝড়ের সৃষ্টি হয়। ভারতে রাজস্থানের মরু অংশের ধুলোর ঝড়কে বলা হয় আঁধি।উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মানুষ এই ঝড়ের প্রভাবে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

বিশেষ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে বেশ ভোগা’ন্তি পোহাতে হবে তাদের। দিনের পর দিন এই ঝড়ের আমেরিকায় বেড়েই চলেছে বলে সূত্রের খবর। এই ঝড়ের দাপ’টে সাহারা মরুভূমির পরিমাণ একটু একটু করে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে প্রত্যেক বছর।

Check Also

PhD পাস ফল বিক্রেতা তরুণীর ঝরঝরে ইংরেজি লজ্জায় ফেলবে আপনাকে

একজন সবজি বিক্রেতা এই ভাবেই ঝড়ের গতিতে ইংরেজি বলতে পারেন এমনটা আমরা ভেবে উঠতে পারিনা। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *