Friday , 6 December 2019

ডায়াবেটিস, হাঁপানি ও কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে ঢেঁড়ষের জুড়ি নেই, যেভাবে খাবেন ঢেঁড়ষ.. দেখুন…

ডায়াবেটিস, হাঁপানি ও কিডনি- ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগকে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি বলা হয়ে থাকে। ইনসুলিননির্ভরশীল ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই রোগে কিডনিতে প্রাথমিক বিপর্যয় শুরু হয় ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। এ সময় কোনো উপসর্গই থাকে না। ১০-১৫ বছরের মধ্যে প্রস্রাবে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়।

তখন তাকে বলা হয় নেফ্রোটিক সিনড্রোম। এ সময় রোগীর শরীরে পানি আসা শুরু হয় আর ১৫-২০ বছরের মধ্যে কিডনির কার্যক্রম হ্রাস পেতে থাকে। তখন তাকে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি ফেইলিউর বলা হয়।উপসর্গ প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথির কোনো উপসর্গ থাকে না। উপসর্গ যখন দেখা যায়, ততদিনে কিডনির অনেকটা ক্ষতি হয়ে যায়। প্রধান উপসর্গগুলো হচ্ছে পায়ে পানি আসা এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া।

এসব রোগীকে পরীক্ষা করলে চোখ এবং স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত ডায়াবেটিস হওয়ার ৫ থেকে ১৫ বছর পর এ ধরনের জটিলতা দেখা যায়। এ পর্যায়ে চিকিৎসায় খুব ভালো ফল লাভ করা সম্ভব। যেসব পরীক্ষা প্রয়োজন প্রতিটি ডায়াবেটিস রোগীর সকালের প্রস্রাব পরীক্ষা করে প্রস্রাবে অ্যালবুমিন এবং সুগার আছে কি- না তা দেখা উচিত।

২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব পরীক্ষা করে কী পরিমাণ অ্যালবুমিন যাচ্ছে, তা নির্ণয় করা হয়। ২৪ ঘণ্টার অ্যালবুমিন ৩০০ মিলিগ্রামের ওপরে গেলেই ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি ভাবা হয়। ৩০০ মিলিগ্রামের নিচে এবং ৩০ মিলিগ্রামের ওপরে অ্যালবুমিন গেলেও ধরতে পারা যায়, যাকে মাইক্রো- অ্যালবুমিনিউরিয়া বলা হয়।

এছাড়া নির্দিষ্ট সময়ান্তে প্রতিটি রোগীর রক্তের ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন ও ইলেস্ট্রোলাইট পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রস্রাবে যদি ৩০০ মিলিগ্রামের বেশি অ্যালবুমিন যায় এবং সেই সঙ্গে রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে একে কিডনি অকেজো হওয়ার প্রাথমিক পর্যায় হিসেবে ধরা হয়। কিডনির সনোগ্রাম এবং প্রয়োজনে কিডনির বায়োপসি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

সারা ক্ষণ মোবাইলে খুটখুট? প্যারালিসিসের শিকার হতে পারেন কিন্তু! বাঁচতে চাইলে পড়ুন

সকাল হোক বা রাত, অফিস হোক বা পাড়ার ঠেক— সবেধন মোবাইলটি ছাড়া আমরা প্রায় অস্তিত্বহীন। ফেসবুকে আপডেট, হোয়াটস অ্যাপ চেকিং বা ঘন ঘন টেক্সট দেখা আমাদের আধুনিক অভ্যাস। কাজের জায়গায় পৌঁছেই শুরু হয়ে যায় টাইপিং বা লেখালেখি। তার মাঝেও চলে মোবাইল সার্ফিং।

সকলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন, ভেবে আপনি তো খুশ! কিন্তু জানেন কি, এতে ‘রাগ’ করছে আপনার বুড়ো আঙুল। সে প্রথমে জানান দেবে ব্যথা দিয়ে, তার পরেও সচেতন না হলে কিন্তু প্যারালিসিসের শিকার হতে পারেন।এই অসুখের পোশাকী নাম ‘নাম্ব থাম্ব’। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘ব্ল্যাকবেরি সিনড্রোম’

বা ‘ওভার ইউস সিনড্রোম’-ও বলা হয়। এই অসুখের বেশ কিছু প্রাথমিক লক্ষণ আছে। জানালেন, অস্থি বিশেষজ্ঞ কৌশিক ঘোষ।বুড়ো আঙুলের গোড়ার দিকে শুরু হবে ব্যথা।চিকিৎসা না করালে ব্যথা বেড়ে আঙুল ঝিমঝিম করে প্রায়ই অবশ হবে।আঙুল ভাঁজ করতে অসুবিধা হবে। আঙুল থেকে ব্যথা উঠতে পারে হাতের কবজির দিকেও।

ফলে গ্রিপিং-এ আসতে পারে সমস্যকিৎসার রকমফেরনাম্ব থাম্ব হলে দ্রুত নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ। মূলত কিছু পেন রিলিভার দিয়ে চিকিৎসা চালানো হয়। সঙ্গে চলে

আঙুলের বিরাম।সমস্যা আয়ত্তে না এলে নিতে হবে ফিজিওথেরাপি। চলবে চিকিৎসকের নির্দেশে ঘরোয়া ব্যায়ামও।পরতে হতে পারে ফিঙ্গার ক্যাপ বা স্‌প্লিন্ট।তাতেও সমস্যা না কাটলে অস্ত্রোপচারই শেষ ভরসা।এড়াব কেমনেএ অসুখ এড়াতে প্রথমেই কমিয়ে দিতে হবে ফোন ঘাঁটার ‘কু-অভ্যাস’।

আপিস ও বাড়িতে লেখার টেবলে এক্সারসাইজ বল। প্রতি ১৫-২০ মিনিট অন্তর ১০-১২ বারের জন্য চাপ দিন বলটিতে। এতে রক্ত সঞ্চালনপ্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে থাকবে।বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে আঙুলের ব্যায়াম করলে সুস্থ থাকবেন।ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার রাখুন ডায়েটে।

Check Also

ভুল ধারণা থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাক

অধিকাংশ মানুষের ভাবনা- হৃদরোগ হয় মোটাসোটাদের, নয়তো বয়স বাড়ার কারণে হার্ট নষ্ট হয়৷ আবার ব্যায়াম ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *