‘টেন্ডুলকার’ নামের ওজন সামলাতে হবে : অর্জুনকে শচীন

বাবা শচীন টেন্ডুলকারের ক্রিকেটে আবির্ভাব যেমন ধুমকেতুর মতো হয়েছিল, ছেলে অর্জুনের বয়সভিত্তিক দলে প্রবেশ ততটা জাঁকজমক হয়নি। তবে সবসময়ই মিডিয়ার নজরবন্দি আছেন মাস্টার ব্লাস্টারের ছেলে। ভারতের ইংল্যান্ড সফরের কোহালি-জিমি অ্যান্ডারসনের দ্বৈরথ নিয়ে যেমন চর্চা হয়েছে, সে রকমই আলোচিত হয়েছে অর্জুনের নাম। তাই শচীন বললেন, টেন্ডুলকার নামের ভার বইতে জানতে হবে ছেলেকে!

শচীনের যেখানে প্রথম দিন ঘণ্টা বাজিয়ে টেস্ট শুরু করার কথা ছিল, সেখানে বৃহস্পতিবার অর্জুনকে দেখা গেছে মাঠে নেমে গ্রাউন্ডসম্যানদের সাহায্য করতে। আবার শনিবার সেই অর্জুনকেই দেখা গেল, লর্ডসে রেডিও বিক্রি করছেন। এমসিসি যুব ক্রিকেটের অঙ্গ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করছেন শচীন-পুত্র। তার রেডিও বিক্রির ছবি টুইট করে হরভজন সিং লিখেছেন, ‘৫০টি রেডিও বিক্রি করে ফেলেছে অর্জুন। আর অল্প কয়টা আছে।’

কিন্তু ক্রিকেটার অর্জুন কতটা প্রভাব ফেলতে পারলেন? ছেলের ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে শচীন বলেছেন, ‘আমি ওকে স্বাধীনতা দিয়েছি নিজের মতো করে এগিয়ে চলার। অর্জুন বাঁ হাতি পেস বোলিং করে, ক্রিকেটটা উপভোগ করে। আমি ওর ক্রিকেট নিয়ে কখনও মাথা ঘামাইনি। জীবনে নানা বাধার সামনে ওকে পড়তে হবে। কিন্তু আমি নিশ্চিত, সেই বাধা সামলানোর জন্য অর্জুন তৈরি থাকবে।’

তবে শচীন খুব ভালো করেই জানেন ‘টেন্ডুলকার’ নামটার জন্য সবসময় চাপ থাকবেই অর্জুনের ওপর। তবে মাস্টার ব্লাস্টার আশাবাদী, এই চাপ সামলে নিতে পারবেন অর্জুন। তার বক্তব্য, এই নিয়ে ছেলের সঙ্গে বিশেষ কথা বলেন না। অর্জুনের সঙ্গে তার কথাবার্তা আর পাঁচটা বাবা-ছেলের মতোই হয়ে থাকে। ক্রিকেট নিয়ে খুব একটা হয় না।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে একটি বিশেষ শো তে শচীন টেস্ট ক্রিকেট নিয়েও কথা বলেছেন। তার মতে, টেস্ট ক্রিকেটের আকর্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে এমন উইকেটে করা হোক, যেখানে ব্যাটসম্যানদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। শচীন বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে ম্যাচে বোলারদের সামনে সব সময় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে পিচ। কিন্তু টেস্টে কি এমন পিচ হয়, যেখানে ব্যাটসম্যানরা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন? টেস্ট বাঁচাতে আগে এই দিকটা দেখতে হবে।’

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *