জেনে নিন জীবনের খারাপ সময়গুলো কাটিয়ে ওঠার মূলমন্ত্র… শেয়ার করে অন্যকেও জীবনযুদ্ধে সাহায্য করুন…

জীবনে খারাপ সময় যখন তখন আসতে পারে। আর সেই খারাপ সময় মোকাবেলা করার জন্য আমাদের সবার সর্বদা প্রস্তুত থাকা দরকার। ভালো সময় পার করার জন্য আপনার চারপাশে মানুষের অভাব হবে না, কিন্তু যখন খারাপ সময় আসে তখন পাশে থাকার মানুষের অভাব দেখা যায় সবচেয়ে বেশি। তাই খারাপ সময় সাহসের সাথে অতিক্রম করার সহায়ক ব্যাপারগুলো সবার জেনে রাখা উত্তম।

আসুন এই ফিচারে আমরা দেখি কি কি বিষয় আপনার চরম খারাপ মুহূর্তে সাহায্য করবে।

১. খারাপ সময় না আসলে ভালোর গুরুত্ব কখনোই অনুভব করা যায় না। আপনি কখনোই প্রকৃত সুখী হতে পারবেন না যদি না আপনি কখনো অসুখী হয়ে থাকেন। আলোর যথার্থ মূল্যায়ন তখনই হয় যখন চারদিক ঘন অমানিশা ছেয়ে যায়। একইভাবে আপনি আপনার খারাপ মুহূর্তগুলো ভালো কিছুর আশায় অতিবাহিত করতে শিখুন।

২. সবসময় আপনার জীবনের ভালো ঘটনাগুলো গণনা করুন। আর সাথে জীবনের পাওয়া সাফল্যগুলোও স্মরণ করতে ভুলবেন না। আমাদের জীবন স্থির কোন বস্তু বা পদার্থ নয়, বরং এটি চলমান। আর সেকারণেই জীবনে এতো বদল এতো পরিবর্তন। আর এসবটা মনেপ্রানে বিশ্বাস করে আপনার খারাপ মুহূর্তে সবটা খারাপ নিয়ে না ভেবে ভালো কোন প্রাপ্তি নিয়েও ভাবুন। দেখবেন খারাপ মুহূর্ত আপনাকে কম কষ্ট দিচ্ছে।

৩. জীবনের সব কিছু থেকে শিক্ষা গ্রহণের চেষ্টা করুন। খারাপ মুহূর্তে একদম ভেঙ্গে না পড়ে বরং এই অবস্থার সঠিক ব্যবহার করুন। এই অবস্থার মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জ্ঞান আহরণ করুন। দেখবেন আপনি আর হতাশাবোধ করছেন না। হতাশার স্থলে আপনার মনে কৌতূহল কাজ করছে।

৪. আপনার জীবনের খারাপ মুহূর্তগুলো্র সুযোগ গ্রহণ করুন, সবকিছু নতুন করে ঢেলে সাজাবার। যেসব সিদ্ধান্ত নিতে এতকাল ভয়ে পিছিয়ে ছিলেন সেইসব কাজের জন্য এখন আপনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। এই সময় আপনার মাঝে ভয় কম কাজ করবে আর কিছু জয় করার আকাংক্ষা বেশি জেগে উঠবে। আর সেকারণেই খারাপ মুহূর্ত আমাদের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়।

৫. ভুলেও কখনো নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বলে ভাববেন না। একবার যদি মনে ঢুকে যায় আপনি পরিস্থিতির শিকার তাহলে আপনার নিজের সব রকম সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনা স্থবির হয়ে যাবে। আপনি নিজের ভাগ্যকে নিয়তির হাতে তুলে দেওয়ার অজুহাত পেয়ে যাবেন। বরং ভাবুন আপনার একটি সুন্দর জীবন আছে সাথে সুন্দর একটি বর্তমান, খারাপ মুহূর্ত তো কেবল সামান্য কিছুদিনের একটি যন্ত্রণাকর অভিজ্ঞতা। এতেই আপনার মধ্যে বেশ স্বস্তিবোধ জন্ম নেবে।

৬. এমনটা নয় যে আপনি এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারবেন না। মনে প্রাণে বিশ্বাস করুন যে এই নশ্বর পৃথিবীর সবকিছু সাময়িক। কোন কিছুই আজীবনের জন্য না। শুধুমাত্র উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা। তাই আপনাকে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না। লড়ে যেতে হবে শেষ অব্দি। জানেন তো জীবন মানেই যুদ্ধ।

৭. অন্যরা আপনার বর্তমান অবস্থা নিয়ে কি ভাবছে এটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং আপনি নিজেকে ঠিক কতোটা অসহায় বা দুর্বল ভাবছেন সেটা মূল বিষয়। নিজেকে কখনো দুর্বল ভাবা চলবে না। আপনি যদি নিজেকে কখনো দুর্বল বা অসহায় না ভাবেন তাহলে অন্যর কোন নেতিবাচক ভাবনা আপনার কিচ্ছু করতে পারবে না।

৮. সব সময় শুধু খারাপ সময়ের চিন্তা না করে নিজেকে একটু শান্তিতে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিন। মনকে শান্ত ও গঠনমূলক চিন্তার জন্য সুযোগ করে দিতে কোলাহল আর মানুষের গণ্ডী থেকে খানিকটা নির্জনে নিজের সাথে কাটাতে পারেন। এতে করে আপনার অশান্ত কিছুটা শান্তও হবে আবার নিজের জন্য ভালো কিছু ভাবার সুযোগ ও পাবেন।

সবসময় মনে রাখবেন আজকের এই চরম খারাপ মুহূর্তের বিনিময়ে হয়তো আগামীতে আপনি পরম সুখকর কোন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাবেন। এক কথায় বলতে গেলে বলতে হয় যে কোন অবস্থাতেই হতাশ হলে চলবে না। ভালো কিছু ঘটার সম্ভাবনার আলো মনের মধ্যে সবসময় প্রজ্বলিত রাখতে হবে।

যখন সবকিছু আপনার সাথে খারাপ হয় তখন অনুপ্রাণিত হবেন কিভাবে?

জীবন আমাদের জন্য সব সময় সাফল্য বয়ে নিয়ে আসেনা। বেঁচে থাকার এই পথ চলায় আমাদের জীবনের সমস্ত রাস্তা জুড়ে রয়েছে অসংখ্য বাঁক আর বাঁধা। সাফল্য অর্জন করতে হলে এই সমস্ত বাঁধা আমাদের অতিক্রম করতে হয়। আর এই দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার সময় আমরা এমন অবস্থার সম্মুখীনও হই যখন আমাদের সাথে সব কিছু খারাপ হয়। অবস্থাটা খানিকটা এমন “অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকিয়ে যায়!” আর জীবনের এই কঠিন সময়টাতে আপনি যদি নিজেকে সামলে রাখতে না পারেন তাহলে এই অবস্থার মধ্য থেকে কখনোই বের হয়ে আসতে পারবেন না।

তাই আজ আপনাদের বলবো আপনার সাথে যখন সব কিছু খারাপ আর ভুল হয় তখন যে বিষয়গুলো সব সময় মনে রাখবেন।

জীবনে সবকিছু সাময়িক (everything in life is temporary): বৃষ্টি ঝরতে তো সবাই দেখেছেন। কখনো কি এমনটা দেখেছেন আজীবনের জন্য বৃষ্টি ঝরা শুরু হয়েছে? ঠিক একইভাবে জীবনে কোনকিছুই দীর্ঘস্থায়ী হয়না। তাই আপনার জীবনের খারাপ সময়গুলোতে দিশেহারা হবেন না। বিশ্বাস করুন যে এই সময়ের শেষও আছে।

দুশ্চিন্তা ও দোষারোপ কোনটাই কিছু বদলাতে পারেনা (worrying and complaining changes nothing): এমন অনেকেই আছেন যে তাদের সাথে খারাপ কিছু ঘটলেই তারা ঠিক কাউকে বা নিজেকে দোষারোপ করবে। কিংবা দুশ্চিন্তা করে খারাপ সময় আরও খারাপ করে তুলবে। কথা হচ্ছে আপনি একটি বারও কি ভেবে দেখেছেন আপনার এই আচরণ আপনার সমস্যা সমাধানে কতটুকু সাহায্য করেছে? তাই আর দোষারোপ বা দুশ্চিন্তা নয় বরং এই অবস্থায় নিজেকে সামলে রাখুন।

কিছু জিনিস ঠিকই সঠিক হচ্ছে (some things are going right): অন্ধকারের শেষে যেমন আলো লুকায়িত থাকে একইভাবে আপনার খারাপ সময়গুলোর পেছনে নিশ্চয় সঠিক কিছু ঘটছে। এখানে আপনাকে শুধু একটু আপনার সহ্যশক্তি বাড়াতে হবে। আর তাই এমন সময়ে শুধুমাত্র খারাপ জিনিসের প্রতি লক্ষ্য না করে দেখুন কি ভালো ঘটছে আপনার জন্য সেটা সামান্য পরিমাণই হোক না কেন।

আপনি এটা সামলাতে পারেন (you can handle this): সময় যত খারাপই হোক না কেন আপনি সব সময় এটি বিশ্বাস করুন যে আপনি এটা সামলাতে পারেন। জীবন আপনার আর সমস্যাও আপনার তাই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার উপায়ও আপনাকেই জানতে হবে। তাই নিজের প্রতি বিশ্বাস কখনো হারাবেন না।

আপনার নিজের প্রতি যত্নবান হতে হবে (take care of yourself): যখন সবকিছু আপনার সাথে খারাপ হয় তখন নিজের প্রতি যত্নবান হন। কেননা এই খারাপ সময়ের সবটা আপনাকেই অতিক্রম করতে হবে। আর নিজেই যদি ঠিক না থাকেন তাহলে এই সময় শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আপনি নিজেই শেষ হয়ে যাবেন। তাই ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করার পাশাপাশি বিশ্রাম করুন ও আপনার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে সময় অতিবাহিত করুন।

কথায় আছে “যে সহে সে রহে।” জীবনের এক একটি খারাপ সময়কে আপনার জীবনের সাফল্যর একেকটা সিঁড়ি ভাবুন। দেখবেন আপনি খুব সহজেই খারাপ সময় পার করে দিতে পারবেন।

যেভাবে অতিক্রম করবেন জীবনের কঠিন সময়গুলোকে

এই সময়গুলোতে মানুষের চিন্তা ভাবনার ধরন আর স্বাভাবিক থাকে না। অনেকেই এসব পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে বেছে নেন আত্মহত্যার মত চরম পন্থাও। কিন্তু এভাবে কখনোই সমস্যার সমাধান হয় না। এই লেখাটিতে এমন কিছু বিষয় তুলে ধরেছি যা অনুসরণ করলে আপনার জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলো পার করা (overcoming difficult times) আর একটু সহজ হয়ে উঠবে।

১. আবেগ ধরে রাখবেন না (let emotions reign): বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে নিজের আবেগ লুকানোর প্রবণতাটা বেশি দেখা যায়। যত কষ্টই আসুক তা তারা নিজের মধ্যেই চেপে রাখেন। এর ফল হয় মারাত্মক। মানসিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে আত্মহত্যা পর্যন্ত গড়ায় এর পরিণতি। তাই কঠিন সময়গুলোতে (difficult times)নিজের আবেগ চেপে রাখবেন না। পরিবার বা কাছের বন্ধুদের সাহায্য নিন। সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠবেন আপনি।

২. খারাপ সময়কে মেনে নিন, এগিয়ে চলুন সামনে (accept it and go forward): মানুষের জীবনে ভাল এবং খারাপ দু’রকম সময়ই আসে। তাই ভালর পাশাপাশি খারাপকেও মেনে নিতে শিখুন। ভেঙ্গে না পড়ে সামনে এগিয়ে যান। যত তাড়াতাড়ি আপনি নিজের খারাপ সময়টিকে (difficult times in life) মেনে নিতে পারবেন, তা থেকে মুক্তি পাওয়া ততই সহজ হবে।

৩. ইতিবাচক চিন্তা করুন (think positively): ইতিবাচক চিন্তা জীবনের দুঃসময় পার করার (dealing with difficult times) অন্যতম হাতিয়ার। কখনোই আশা হারাবেন না। চাকরি চলে গেলে নিজেকে বোঝান নিশ্চয় এর চেয়ে ভাল চাকরি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, প্রিয়জন ছেড়ে চলে গেলে নিজেকে জানান, আপনার জন্য আসলেই উপযুক্ত এমন কারো দিকে এক পা এগিয়ে গেছেন।

৪. ভুলগুলো নিয়ে না ভেবে সঠিক পরিকল্পনা করুন (make the right plan): আপনি কি হারিয়েছেন, কেন হারিয়েছেন, সেসব থাকলে কত ভালো হত এসব চিন্তা না করে ভবিষ্যতে আপনার কি কি অর্জন করার সম্ভাবনা আছে তা ভাবুন এবং সে অনুযায়ী নিজে তৈরি করুন। যা হারিয়েছেন তার জন্য অভিযোগ না করে পুনরায় ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করুন।

৫. শিক্ষা নিন কঠিন সময়গুলো থেকে (focus on the life lesson): জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলো (difficult moments in life) থেকে শিক্ষা নিন। চাকরি হারানো, আর্থিক সমস্যা, শারীরিক অসুস্থতার সময়গুলোতেই বোঝা যায় আসলেই কে আপনার আপনজন আর কে আপনার সাথে এতদিন অভিনয় করছিলো। এ শিক্ষা আপনাকে আজীবন সঠিক পথে চলতে সাহায্য করবে। তাই জীবনের কঠিন সময়গুলোকে অভিশাপ নয় বরং আশীর্বাদ হিসেবে দেখুন।

জীবনের খুব খারাপ সময়ে মনে রাখুন এই ৫টি কথা

প্রেমে ব্যর্থতা, প্রিয়জনের মৃত্যু, মা বাবার অসুস্থতা, সাময়িক বেকারত্ব। কিন্তু আপনি কি জানেন, প্রতিটা খারাপ সময়ই আপনার জন্যে ভালো কিছু শিক্ষা নিয়ে আসে? আর সেই সাথে খারাপ সময়ের পর নিশ্চিত ভালো সময় তো আসবেই। কিন্তু খারাপ সময়ে এতোকিছু আসলে নিজেকে বোঝানো যায় না। তবু মনে রাখুন, এই সময়েই জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলো আপনি পেয়ে থাকেন। তাই ভেঙে না পড়ে শক্ত হাতে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। জেনে নিন জীবনের খারাপ সময়গুলোতে মনে রাখার ৫ টি বিষয়, আপনাকে খারাপ সময়টা পার করতে সাহায্য করবেঃ

১. মানুষ চেনার সেরা সময়: মানুষ চিনে নিন দুঃসময়েই। এসময়েই বুঝতে পারবেন কারা আপনার বন্ধু আর কারা নয়। জীবনের সংগ্রামের সময়টা অতটা খারাপ নয় যদি আপনি এ থেকে শিক্ষা নিতে পারেন।

২. রাতারাতি কেউ সফল হয় না: “যে গাছগুলো দেরীতে বাড়ে, তাদের ফলগুলোও হয় সবচেয়ে মিষ্টি”! অনেক সময় আমরা অন্যদের সফল জীবন দেখে হতাশ হয়ে পড়ি। কখনোই ভাববেন না যে, আপনি রাতারাতি সাফল্য পেয়ে যাবেন। নিজের পরিশ্রমের প্রতি সৎ থাকুন, লক্ষ্যটাকে ঠিক রেখে এগিয়ে যান। সাফল্য একদিন না একদিন আসবেই!

৩. প্রতিটি সংগ্রামেরই একটি শিক্ষা থাকে: হয়তো পারিবারিক, ক্যারিয়ার বা অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছেন আপনি। আপনার জীবনের ভয়াবহ সংগ্রামের কথা হয়তো আপনি কাউকে বলে বোঝাতে পারবেন না। কিন্তু ঝড়ের বেগ বেশি যত বেশিই হোক তা একসময় না একসময় থেমে যাবে। কিন্তু সেই ঝড় বা বিপদের মোকাবেলা কিভাবে করছেন সেটা খেয়াল রাখুন।

৪. কারো জীবনই পারফেক্ট নয়: কারো জীবনই পারফেক্ট নয়। প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তি মিলেই জীবন। জীবনে উচ্চাকাঙ্খা থাকা ভালো, কিন্তু তার মানে এটি ভেবে বসে থাকা ঠিক নয় যে, জীবনে যা কিছু আশা করছেন তার সবই পাবেন আপনি। পৃথিবীর সফলতম ব্যক্তিদেরও কোন না কোন অপ্রাপ্তি থাকেই! স্টিফেন হকিং এর কথাই ভেবে দেখুন!

৫. এ সময়টা আপনাকে পরিণত করে তোলে: এ সময়টাতেই আপনি নিজের ব্যক্তিত্বের অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। কেননা, বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আপনার মনোভাব ও চিন্তাভাবনার গভীরতা আপনাকে পরিণত করে তোলে যেকোন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দশ গুণ বেশী। খারাপ আর ভালো সময়ের মিশেলেই জীবন। জীবনকে উপভোগ করুন সব অবস্থাতেই। ভালো থাকুন।

 

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

প্রায়ই গলা জ্বলে, চোঁয়া ঢেকুর ওঠে? এ সব উপায়ে ওষুধ ছাড়াই আয়ত্তে আনুন এই সমস্যা

সামান্য মশলাজাতীয় খাবার খেলেই গলা জ্বালা, চোঁয়া ঢেকুর, আর তার পরেই মুঠো মুঠো গ্যাস-অম্বলের ওষুধ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *