জানেন কি ৫টি খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডেকে আনছে ক্যান্সার!

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডেকে- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চোখ রাখলে অনেক সময়েই আঁতকে উঠতে হয়, বিশেষ করে যখন জানা যায় এই খাদ্যতালিকার বেশ কয়েকটি খাবারই আমাদের শরীরে মারণ রোগ ক্যানসারকে ডেকে আনতে পারে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি বিশদ জানিয়েছে ‘প্রিভেনশন পালস’ নামের একটি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েব সাইট। একটি বিস্তৃত তালিকা পাশ করে এখানে জানানো হয়েছে, আমাদের দৈনন্দিনের খাবারের মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্যানসার-প্রবণ।

তবে এমন ৫টি খাবার এই তালিকায় রয়েছে, যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই গ্রহণ করে চলেছি।

এখানে বিস্তারিত জানানো হল সেই ৫টির কথা-

১. সোডা-যুক্ত সফট ড্রিঙ্ক সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা জ্ঞাপন করেন প্রায় প্রত্যেক পুষ্টিবিদই। ফাঁকা ক্যালরি উৎপাদনকারী এই সব পানীয় যে ওজন বৃদ্ধি, পেটে জ্বালা ও রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দেয়, তা সকলেরই জানা।

কিন্তু সেই সঙ্গে এটি যে গোপনে ক্যানসারের মতো ব্যাধিকেও প্রশ্রয় দিয়ে চলে, তা জানিয়েছে ‘আমেরিকান জার্নাল অফ নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধ। সেই সঙ্গে এই নিবন্ধ এ-ও জানায় যে,। এই পানীয়ে যে কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থগুলি ব্যবহৃত হয়, তা দেহের ক্যানসার প্রবণতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

২. একই রকম সংবেদনশীলতা চালু রয়েছে পোট্যাটো চিপস-কে নিয়ে। এটিও একটি হাই ক্যালরি ডায়েট। ওজন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এটি উচ্চ রক্তচাপকেও ডেকে আনে।

কিন্তু তার চাইতেও ভয়ের কথা, পোট্যাটো চিপস তৈরির সময়ে যে সব প্রিজারভেটিভ ও রং ব্যবহৃত হয়, তা এই খাবারটি প্রস্তুতের কালে বিপুল তাপমাত্রার সংস্পর্শে আসে। এর ফলে তৈরি হয় ‘অ্যাক্রিলামাইড’ নামের একটি পদার্থ। এই অ্যাক্রিলামাইড সিগারেটেও পাওয়া যায়। এবং এটিকে ক্যানসারের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন বিশেষজ্ঞরা।

৩. বাঙালির খাদ্যতালিকায় মাছের উপস্থিতি অনিবার্য। কৃত্রিম প্রজনন ও বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ হয় এমন কিছু মাছ সম্পর্কে সতর্ক হতে নির্দেশ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে, তেলাপিয়া মাছটি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

ইউনিভার্সিটি অফ অ্যালবানির একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই মাছটি চাষে ব্যবহৃত হয় বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক এবং কীটনাশক। এই রাসায়নিকগুলি ক্যানসার প্রবণতাকে বিপুল করে তোলে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

৪. ডায়াবেটিসের কোপে পড়ে চিনি ছাড়তে হয় আমাদের অনেককেই। কিন্তু মিষ্টি ত্যাগ করলেও অনেকেই চা বা কফিতে চিনি ছাড়তে পারি না। বদলে ব্যবহার করতে শুরু করি চিনির বিকল্প।

চিনির বিকল্প হিসেবে যে পদার্থগুলি আমরা খেয়ে থাকি, তা একান্ত ভাবেই রাসায়নিক। এতে ব্লাড সুগার লেভেল আদৌ কমে না বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তার উপরে এই কৃত্রিম শর্করা দেহে ডিকেপি নামের এক বিষাক্ত পদর্থের জন্ম দেয়, যা ব্রেন টিউমারের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

৫. বেশির ভাগ ভারতীয়ের কাছে আচার অতি লোভনীয় এক খাদ্য। কিন্তু মাউন্ট সিনাই স্কুল অফ মেডিসিন-এর একটি গবেষণা জানাচ্ছে, আচার গ্যাস্ট্রিক ক্যানসারের একটি বড় কারণ।

প্রত্যহ আচার খান এমন মানুষের উপরে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ ব্যক্তির গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার-প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। পরিমাণে কম বা মাঝে মধ্যে আচার খেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু রোজকার খাবারের পাতে, দু’বেলা আচার খাওয়া ডেকে আনতে পারে সমূহ বিপদ।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

পাঁকা পেঁপে খাওয়ার ১০টি উপকারিতা

বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি পেঁপে। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো কদর। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *