Friday , 7 August 2020
[cvct-advance id=20554]

আপনি কি ধূমপান করেন।তাহলে জেনে নিন ধূমপানের সঙ্গে শারীরিক যন্ত্রণার কেমন সম্পর্ক

যারা ধূমপান করেন কিংবা যারা ধূমপান করতেন তারাও যারা ধূমপান করেন না তাদের চেয়েও বেশি শারীরিক যন্ত্রনায় ভুগছেন।এক গবেষণার দ্বারা জানা গেছে যে, কোনো সময়ে ধূমপান করার ফলে শরীরে নানান পরিবর্তন আস্তে পারে।তাহলে জানা যাক ধূমপানের জন্য শারীরিক যন্ত্রণার সম্পর্ক আছে কেন :-

>সিগারেটে নানান রকমের রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে কয়েকটি টিস্যুর ক্ষতি হয় যা শরীরে মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

> গবেষণার দ্বারা জানা গেছে ধূমপান শরীরের হারমোনেও অনেক প্রভাব ফেলতে পারে।যা বিকারগ্রস্ত ব্যক্তিরা তীব্র ব্যাথা অনুভব করেন ধূমপান আসলে ব্যাথার বকরণ নয় এই একটি উপস্বর্গ মাত্র।

>গবেষকরা বলেছেন যে যারা ধূমপান করেন তারা শরীরে তীব্র ব্যাথ্যা অনুভব করেন।এটা অনেক আগেও গবেষণার মাধ্যমে উঠে এসেছিল।

>ধূমপান বিরোধী ক্যাম্পেইন গ্রুপ অ্যাশ’এর প্রধান নির্বাহী ডেবোরাহ আরনট বলেন,১৯৫০ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হওয়া সিগারেট এটি ধূমপানের সঙ্গে ফুসফুসের ক্যান্সারের সম্পর্ক আছে।হৃদরোগ ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ ছাড়াও অন্ধত্ব, ডায়াবেটিস, স্মৃতিভ্রম এবং বন্ধ্যাত্বের মূল কারণ হতে পারে ধূমপান।এছাড়াও অপারেশনের পর ধূমপায়ীরা সেরে উঠতে অনেক সময় লেগে যায় বা অপারেশন সফল না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়ে যায়

এই দুইটি সহজ পদ্ধতি মেনে চললে আপনার নাকডাকা বন্ধ হয়ে যাবে

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকলে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় পরে যে ব্যক্তি নাক ডাকা ব্যক্তির পাশে ঘুমোয়।গবেষণার দ্বারা জানা গেছে যে, মধ্যবয়স্ক ৪০% পুরুষ ও ২০% নারী ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন।নাক ডাকার ফলে মস্তিষ্কের ক্ষামতা শুরু হয় যা স্মৃতি শক্তি ঝাপসা হতে শুরু হয়, এছাড়াও স্ট্রোক হার্ট ডিজিজ নানান ধরণের রোগ হয়ে থাকে।নাকডাকা আপাতদৃষ্টিতে দেখলে ক্ষতিকর হলেও এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ঝুঁকি পূর্ণ।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেষজ উপাদান ব্যবহার করেও নাকডাকা দূর করা যায়।তাহলে জানা যাক:-

>গাজর ও আপেলের রস শ্বাসনালী চওড়া ও মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা বাড়ায়।২টি আপেল ও২টি গাজর ছোট টুকরো করে একটি পাতি লেবুর ৪ ভাগের ১ অংশ নিয়ে রস করে এক চামচ আদা কুচি এগুলো একত্রে মিশিয়ে এর সাথে জল দিয়ে নিয়মিত পান করলে নাকডাকা চলে আসবে।

> হলুদ হলো প্রাকৃতিক উপাদান।হলুদ দুই কাপ জলে মাঝারি আঁচে তাপ দিন, তারপর এক চামচ কাঁচা হলুদ গুঁড়ো করে দিয়েদিন।যখন জল এককাপ জলে চলে আসবে তখন নামিয়ে ছেকে নিন।তারপর ৩-৪ ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে ঘুমোতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করুন। তাহলে দ্রুত নাকডাকার সমস্যা কমে যাবে।

Check Also

২ হাত ছাড়াই ইউনিভার্সিটি সমাপ্ত করে আজ বড় অফিসার ফাল্গুনী

২ হাত ছাড়াই ইউনিভার্সিটি সমাপ্ত করে আজ বড় অফিসার – তখন সবে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *