অবসরের পর সুখ পেতে চাইলে অবশ্যই এই সরকারি সঞ্চয় প্রকল্প বেছে নিন

শিক্ষাজীবনের গন্ডিপেরিয়ে চাকরিতে প্রবেশ করার পর ভবিষ্যতের চিন্তা মাথায় আসে। বিশেষ করে চাকরিরঅবসরের পরের সময়টা। যখন বার্ধক্য আসবে তখন টাকা না থাকা ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্যকিছু না করে যেতে পারার চিন্তভাবনা মাথায় ঘোরাফেরা করে। বিশেষ করে পঁচিশ থেকেত্রিশ বছরের মধ্যে চাকরিতে যোগদান করার সম্ভাবনাটা একটু বেশি।
তাই এই সময়ে থেকে যদি সঞ্চয় করা যায় তাহলে অবসরের সময়েতার দ্বিগুণ পরিমানে টাকা ফেরত পাওয়ার সুবিধা থাকে। তাই প্ঁচিশ থেকে ত্রিশ বছরবয়সের নাগরিকদের জন্য এক অভিনব প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রকল্পটিশুরুর সময়ে ন্যাশানাল পেনশন সিস্টেম নামক প্রকল্পটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মীদেরজন্য গ্রাহ্য হলেও পাঁচবছর পরে তা সর্বসাধারনের জন্য গড়ে তোলা হয়। আসুন এখ ঝলকেদেখে নেওয়া যাক এনপিএসের কয়েকটি সুবিধাঃ

. এনপিএসের দুটি ভাগ। প্রথম ভাগে রয়েছে স্থির। অর্থাত্ টাকা জমাতে হবে নির্দিষ্ট বয়স না পেরোনো অবধি সেই টাকা তুলতে পারবেন না। আর দ্বিতীয় ভাগটা অনেকটা ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্টের মতো। ইচ্ছে মতো টাকা জমা দেওয়া বা তোলার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে তা পরিমান মতো।
. যেকোনো নাগরিকের আয়ের দশ শতাংশ এই প্রকল্পে জমা করা যাবে। ঠিক ততটা পরিমান দেবে সরকার।

. এই প্রকল্পেরনির্দিষ্ট কোনো সুদ নেই। যত টাকা জমাতে পারবেন তার ওপরে সুদের পরিমান নির্ণয় হবে।

. এনপিএসের প্রথমধাপের জন্য বার্ষিক হাজার টাকা করে জমা দিতে হবে এবং দ্বিতীয় ধাপের জন্য বার্ষিকআড়াইশো টাকা করে জমাতে হবে।

. আয়কর আইনের ৮০সিসিডি (১) এবং ৮০সিসিই ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে এনপিএস বিনিয়োগে।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।

Check Also

স্মার্টফোনে পর্ন দেখেন? এখনই এই পাঁচটি বিপদ হইতে সাবধান

আপনার হাতের নাগালে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকলেও অনেক সময় অলসতাবসত স্মার্টফোনই এখন মানুষের প্রিয় বন্ধু। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *